Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on May 6, 2014 in ছোট্টমনি, স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

শিশুকে সহজে ঘুম পাড়ানোর পাঁচ পন্থা

শিশুকে সহজে ঘুম পাড়ানোর পাঁচ পন্থা

সন্তানকে নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। আজ এক সমস্যা তো কাল আরেক সমস্যা। এসব নিয়ে চিন্তা অনেক সময়ই মা-বাবার ঘুম হারাম করে দেয়। সাধারণত এক থেকে তিন বছরের শিশুরা ঘুমের সময় নিয়ে বাবা-মাকে অনেক জ্বালাতন করে থাকে। দেখা যায়, বেশিরভাগ সময় তারা ঠিকসময়ে ঘুমোতে যায়না, আর বাবা-মা কেও ঘুমোতে দেয়না। তাদের ঘুম পাড়াতে গিয়ে বাবা-মায়ের রাতের অনেকাংশই পার হয়ে যায়। তাই সহজে শিশুকে ঘুম পাড়ানোর কিছু পন্থা জেনে নিন আজ, যা শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সাথে সাথে মানসিক বৃদ্ধিতেও রাখবে দারুন ভূমিকা। বলা যায় না কোনটি আপনার শিশুর ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।

ঘুমের সঙ্গী গল্প কিংবা গানঃ শিশু ঘুমোতে না চাইলে রাতের নির্দিষ্ট ঘুমানোর সময়ে গল্প করা শুরু করুন। যতদিন না শিশু বই পড়তে না শেখে, তাদের বই পড়ে গল্প শোনান। আপনার সন্তান প্রথম দিকে হয়তো মন দিয়ে শুনবে কিন্তু ধীরে ধীরে ঘুমের কোলে ঢলে পড়বে।

বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুনঃ বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়া অনেক ছেলেমেয়েদের অভ্যাস। আর আপনার শিশুকে এই অভ্যাসে অভ্যস্ত করলে সে রাতে বই পড়ার একটা সময় খুঁজে নেবে। এতে শিশুর জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির সাথে সাথে ঘুমের দিকটিও সঠিকভাবে পালিত হবে।

আঁকা কিংবা লেখার অভ্যাসঃ ছবি আঁকা কিংবা লেখালেখির মতো সৃজনশীল বিষয়ে সন্তানকে উদ্বুদ্ধ করে তুলুন ছোটবেলা থেকেই। এতে শিশুরা অতিরিক্ত টিভি দেখা বা খেলাধুলায় বেশি সময় নষ্ট না করে এইসব সৃজনশীল ক্ষেত্রে সময় দেওয়া ও সময়ের বিভাজন সম্পর্কে শিখতে পারবে। কাজের সময় কাজ, খেলার সময় খেলা, ঘুমের সময় ঘুম এই ব্যপারগুলোও এভাবেই তার মধ্যে প্রবেশ করাতে হবে।

শিশুকে শান্ত করাঃ বেশিরভাগ শিশুদের দেখা যায় সবসময় কিছু না কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকতে। তাদের দু’দন্ড এক জায়গায় পাওয়া রীতিমত দুঃসাধ্য কাজ। তাই কোন হালকা খেলা কিংবা মানসিক কোন খেলার মাধ্যমে তাঁকে এক জায়গায় শান্ত করে বসাতে পারলে বাবা-মায়ের পক্ষে ঘুম পাড়ানো অনেক সহজ হবে।

হালকা আদরঃ সবকিছু শেষে বলা যায়, শিশুকে আস্তে আস্তে মাথায় হাত বুলিয়ে দিন, শরীর ম্যসাজ করুন। বাবা-মায়ের আদর পেয়ে শিশু ঘুমিয়ে পড়তে বাধ্য।
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ঘুম অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। তাই খেয়াল রাখবেন, যেভাবেই হোক আপনার শিশু যাতে পর্যাপ্ত ঘুম পায়।