Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Apr 13, 2015 in গর্ভধারণ, গর্ভবতী মা |

গর্ভবতী মা এবং তাঁর বর্ধিত ওজন নিয়ে কিছু কথা

গর্ভবতী মা এবং তাঁর বর্ধিত ওজন নিয়ে কিছু কথা

গর্ভবতী মায়েরা স্বাভাবিকভাবেই এই সময়টাতে ওজন সম্পর্কে বেশ চিন্তায় থাকেন। হঠাৎ এই কারণে বেশ ভালো পরিমাণে ওজন বৃদ্ধির ব্যাপারটি নিয়ে কি করা উচিৎ বা এই ওজন বৃদ্ধির পরিমাণটি কতটা স্বাভাবিক তা নিয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই গর্ভাবস্থায় মায়ের ওজনের ব্যাপারটি নিয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক আজঃ

গর্ভাবস্থায় কতটুকু ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে?

একজন নারীর গর্ভকালীন সময়ে কতটা ওজন বৃদ্ধি পাওয়া প্রয়োজন তা নির্ধারণের জন্য শুরুতেই বডি মাস ইনডেক্স (Body Mass Index) বা বি.এম.আই (B.M.I) সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। গর্ভাবস্থার একেবারে শুরু দিকে মায়ের চিকিৎসক মায়ের বর্তমান ওজন ও উচ্চতা অনুসারে বি.এম.আই গণনা করতে পারেন। এছাড়া এখন ইন্টারনেটেও সহজেই বি.এম.আই ক্যলকুলেটরের সাহায্যে নিজের বি.এম.আই নির্ণয় করা সম্ভব।

বি.এম.আই নির্ধারণের পরে বি.এম.আই অনুযায়ী মায়ের গর্ভকালীন সময়ের স্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধির হার বের করা যাবে সহজেই।

  • যদি মায়ের বি.এম.আই রেসাল্ট ১৯ এর কম হয়ে থাকে তবে বুঝতে হবে যে মায়ের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম এবং গর্ভকালীন সময়ে ১৩ থেকে ১৮ কেজি ওজন বৃদ্ধি মায়ের জন্য স্বাভাবিক।
  • যদি মায়ের বি.এম.আই রেসাল্ট ১৯ থেকে ২৪ এর মধ্যে হয়ে থাকে তবে বুঝতে হবে যে মায়ের ওজন স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে এবং গর্ভকালীন সময়ে ১১ থেকে ১৬ কেজি ওজন বৃদ্ধি মায়ের জন্য স্বাভাবিক।
  • যদি মায়ের বি.এম.আই রেসাল্ট ২৪.৫ থেকে ২৯.৫ এর মধ্যে হয়ে থাকে তবে এর মধ্যে হয়ে থাকে তবে গর্ভকালীন সময়ে ৭ থেকে ১১ কেজি ওজন বৃদ্ধি মায়ের জন্য শ্রেয়।
  • এবং মায়ের বি.এম.আই রেসাল্ট যদি ৩০ এর উপর চলে যায় তবে মায়ের ওজন অনেক বেশি বলে ধরে নিতে হবে এবং তাঁর জন্য ৫ থেকে ৯ কেজি গর্ভকালীন ওজন বাঞ্ছনীয় বলে গণ্য হবে।
  • এছাড়া মা যদি গর্ভে জমজ সন্তান ধারণ করে থাকেন তবে অতিরিক্ত সাড়ে চার কেজি ওজন বৃদ্ধি পাওয়াটা স্বাভাবিক বলে গণ্য।

কি কি কারণে বৃদ্ধি পায় ওজন?

যেসব কারণে এই সময় মায়ের ওজন বৃদ্ধি হয়ে থাকে সেসব হলোঃ

  • শিশুর ওজন,
  • অতিরিক্ত ফ্যাট,
  • শরীরে পানিজমে যাওয়া,
  • শরীরে অতিরিক্ত রক্ত এবং তরল সৃষ্টি,
  • স্তনের পরিবর্তন ইত্যাদি।

ওজন বৃদ্ধি এবং স্বভাবিক ওজন নিয়ে প্রতিনিয়তই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে মায়ের দৈনিক খাদ্য এবং কার্যতালিকা ঠিক করতে হবে।