Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Apr 12, 2014 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল, স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

খাবারে থাকে অনেকেরই অ্যালার্জি

খাবারে থাকে অনেকেরই অ্যালার্জি

কোনও কোনও খাবারের প্রোটিন উপাদানের প্রতি শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার জন্য শিশুর শরীরে অ্যালার্জি হয়। টিনজাত ফুডের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশী হয়ে থাকে। এর ফোলে শিশুর পেট খারাপ হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে সমস্যা দীর্ঘস্থয়ী হতে পারে। ১ বছরের কম বয়সী শিশুর অ্যালার্জিজনিত অসুখের অন্যতম কারন গরুড় দুধ। এই অ্যালার্জির বিবিধ লক্ষণ শ্বাসতন্ত্র, দেহের চামড়া কিংবা খাদ্যনালীর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রকাশ পায়। যেমনঃ

 

(১) মুখের ভেতরে সামান্য ঘা হয়। মুখের চারপাশে চামড়ায় প্রদাহ হয়।

(২) তীব্র বমি এবং ডায়রিয়া বা রক্ত আমাশয় থাকতে পারে। এর মারাত্মক পরিণতি হিসেবে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে অ্যালার্জিজনিত শকে রোগী চলে যেতে পারে।

(৩) দুধ, সয়া, ডিম বা মাছের প্রতি আলার্জি থাকলে শিশুর দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া ও স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

 

কিভাবে করা যাবে এ রোগ নির্ণয়ঃ

এ রোগ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে কিছু ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। গরুর দুধের প্রতি আলার্জি থাকলে তা বন্ধ করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র লক্ষণাদি এবং ১ সপ্তাহের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী উপসর্জ্ঞুলো লোপ পেয়ে থাকে। গরুর দুধের প্রতি আলার্জিপ্রবণ ৫০% শিশুর সওয়ার প্রতিও আলার্জি থাকে।

 

আলার্জি সম্যসার চিকিৎসা কি?

যে খাবারে অ্যালার্জি হচ্ছে তা প্রথমে শনাক্ত করে ওই খাবারটি খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। যে শিশু বুকের দুধের উপর নির্ভরশীল তাকে পূর্ণ ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। অনেক কিচিৎসকে খাবারের প্রতি অ্যালার্জিভাব ও উপসর্গসমূহ দূর করার জন্য সোডিয়াম ক্রোমোগ্লাইকেট নামক ঔষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

উল্লেখ্য, যেকোন ধরনের ঔষূধ সেবনের ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।