গর্ভাবস্থায় নিরাপদ ব্যায়ামের ক্ষেত্রে দশ করনীয়
গর্ভাবস্থা মানেই যে সারাক্ষণ শুয়ে বসে থাকতে হবে এমন কিন্তু নয়! নিয়ম করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটির মধে অবশ্যই থাকা উচিৎ যদি না চিকিৎসকেরা মানা করে থাকেন। মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে ব্যায়াম তাই অপরিহার্য। আর ব্যায়ামের সময় গুরুত্বপূর্ণ দশটি করনীয় বিষয় জেনে নিন আজঃ
১। সবার আগে পরামর্শ করে নিন চিকিৎসকের সাথে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরণের ব্যায়াম বা ভারী কাজ এইসময় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
২। এইসময় খাওয়া-দাওয়ার দিকে বিশেষ নজর রাখাটা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। অনেকটা ক্যালরি ব্যায়াম এর মাধ্যমে হারাচ্ছে, তাই সঠিক এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ব্যায়ামের পাশাপাশি অনেক বেশ জরুরী।
৩। ঝুকিপূর্ণ কোন ব্যায়াম বা শারীরিক কসরত অবশ্যই পরিহার করুন। হাঁটা কিংবা হালকা ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজই এই সময়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত
৪। ব্যায়ামের সময় উপযুক্ত কাপড় পরার বিষয়টি এই সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব টাইট ফিট জামাকাপড় পরে ব্যায়াম করা কখনোই উচিৎ ন। এবং গর্ভাবস্থায় এই ব্যাপারে আরো বেশি সতর্ক হওয়া উচিৎ।
৫। কিছুটা ওয়ার্মআপ করে নিয়ে শরীরকে ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুত করে নিতে হয়ে ব্যায়াম শুরু পূর্বে। তানাহলে অযথা মাসল পুল, হঠাৎ শরীরে প্রচন্ড ব্যাথা হতে পারে যা গর্ভবতী মায়ের জন্য বিপদজনক।
৬। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা গর্ভবতী মায়ের জন্য অত্যাবশ্যক। ব্যায়ামের ফলেশরীর থেকে বেশ ঘাম ঝরে। তাই বায়ামের সময় এবং পরে প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি, ফলের রস পান করতে হবে।
৭। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে বায়ামের পর ফ্লোরে একেবারে কোন কিছু না রেখে শুয়ে পড়া কখনোই উচিৎ নয়, এতে মা মেরুদন্ডের সমস্যার শিকার হতে পারেন।
৮। ব্যায়াম এর সময় একাধারে এক স্থানে থাকাটা পায়ের পেশীতে চাপ ফেলতে পারে। তাই এক স্থানে দাঁড়িয়ে ব্যায়াম না করে কিছুটা চলাফেরা কিংবা নড়াচড়ার মধ্যে থাকুন।
৯। কখনোই চিকিৎসকের বেঁধে দেওয়া সময়ের বাইরে অতিরিক্ত ব্যায়াম করবেন না।
১০। ব্যায়াম করার পরে মাটি থেকে ধীরে ধীরে উঠুন, কিছুটা সময় বড় বড় শ্বাস নিয়ে রিলাক্স করতে হবে। কোনভাবেই তাড়াহুড়া করা যাবেনা।


