Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Dec 5, 2013 in ছোট্টমনি |

ঘরের নতুন অতিথির যত্ন

ঘরের নতুন অতিথির যত্ন

দীর্ঘ ১০ মাস গর্ভে ধারণ করার পর যখন একজন মা তার সদ্যজাত শিশুটির মুখ দেখে, সেটাই তখন তার কাছে স্বর্গসুখের সমান। নতুন শিশুটিকে ঘিরে সে কল্পনার জাল বুনতে থাকে। এটা করবে সেটা করবে, কি খাওয়াবে, কোন খেলনা কিনবে, কোন কাপড় কিনবে এই সব ভাবতে ভাবতেই সময় পেরিয়ে যায়। কিন্তু যখন সে তার আরাধ্য ছোট্ট পুতুলটিকে কোলে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে আসে তখন সে বুঝতে পারে যে, সে আসলে অনেক কিছুই জানেনা কিভাবে তার সন্তান কে সে লালন পালন করবে।

কিছু ছোট ছোট টিপস নতুন বাবা-মা কে সাহায্য করতে পারে যে কিভাবে সদ্য জন্ম নেয়া শিশুকে লালন পালন করতে হয়। যদিও আমাদের দেশে সাধারণত নতুন বাচ্চা হলে সেখানে আত্মীয় স্বজনের ভীড় লেগেই থাকে, আর দাদী বা নানী নিজ উদ্যোগে বাচ্চা কে লালন পালন করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তারপরও এখনকার ব্যস্ত ছুটে চলা শহুরে জীবনে কাজের  চাপে বৃদ্ধ বাবা-মা কে ডেকে আনার সুযোগ অনেক সময় পাওয়া যায়না। অনভিজ্ঞতা নিয়ে নিজেদেরই বাচ্চা পালনের দায়িত্ব পালন শুরু করতে হয়। আর সেই সব নতুন বাবা-মা এর জন্যই এই ছোট কয়েকটি টিপসঃ

১. নিজের হাত পরিস্কার রাখুনঃ

নতুন শিশুর চামড়া অনেক বেশিই স্পর্শকাতর থাকে যা সহজেই জীবানূ দ্বারা আক্রান্ত হয়, আর আমাদের বাতাস, বিশেষ করে ঢাকা শহরের বাতাসের কথা কে না জানে! তাই বাইরে থেকে ফিরে তো অবশ্যই এমনকি ঘরে থাকা অবস্থায় ও যদি বাচ্চাকে ধরতে হয় তবে তার আগে খুব ভালো করে হাত ধুয়ে নেয়া উচিত। এতে আপনার আদরের শিশুর তুলতুলে চামড়া রাস্তার জীবাণু থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাবে।

২. বাচ্চার মাথা ও ঘাড় সাবধানে ধরুনঃ

সদ্যজাত শিশুর হাড় বেশ নরম থাকে। তাই কোলে নেবার সময় খুব সাবধানে ঘাড়ের নিচ থেকে হাত নিয়ে ধরুন যেন মাথা বা ঘাড় ঝুলে না পড়ে আবার বেশি চাপও যেন না খায়। অনেকে আদরের আতিশয্যে বাচ্চাকে নিয়ে লোফালুফি করে। তাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে নতুন জন্ম নেয়া শিশু এর জন্য একেবারেই প্রস্তুত নয় বরং এতে তার নরম হাড় বা মস্তিস্কের ক্ষতি হতে পারে।

৩. শিশুর খেলনা পরিস্কার রাখুনঃ

শিশুর একটি সহজাত বৈশিষ্ট্য হল সে যাই পায় তাই মুখে দেয়। অনেক সময় খেলনা নিচে পড়ে গেলে বাবা মায়েরা সাত পাঁচ না ভেবে সেটি শিশুর হাতে আবার তুলে দেন। এটা একদমই ঠিক না। আমাদের মেঝে জীবাণুতে গিজগিজ করে আর এই জীবাণু খেলনার মাধ্যমে শিশুর মুখে গিয়ে তাকে খুব সহজেই অসুস্থ করে ফেলতে পারে।

এমন ছোট ছোট কিছু বিষয় খেয়াল করে রাখলে খুব সহজেই আপনার আদরের সোনামণিকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।