Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jan 17, 2014 in গর্ভবতী মা, জেনে রাখা ভাল |

গর্ভাবস্থায় সাধারন কিছু অসুবিধা ও তার প্রতিকার

গর্ভাবস্থায় সাধারন কিছু অসুবিধা ও তার প্রতিকার

প্রতিটি মায়েরই গর্ভাবস্থায় কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যা খুবই স্বাভাবিক এবং সহজ ভাবেই এগুলোর প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। গর্ভবতী মায়েদের এই সব সমস্যা ও তার সহজ সমধান নিয়েই এই লেখা।

 

বমি বমি ভাবঃ

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে এই অসুবিধা দেখা দেয়, বিশেষ করে সকালের দিকে। যেসব মায়েদের এই সমস্যা দেখা দেয় তাদের সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তেলবিহীন শুকনো খাবার যেমনঃ মুড়ি, খই, রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি খেয়ে কিছুক্ষ্ণ শুয়ে থাকতে হবে। একসাথে বেশি না খেয়ে এসব মহিলার ২ থেকে ৩ ঘন্টা পর পর অল্প অল্প খাওয়া উচিৎ। প্রতিবার খাবার পর ৫ থেকে ১০ মিনিট বিছানায় শুয়ে বিশ্রাম নিলে বেশি আরাম পাওয়া যাবে।

 

বুক জ্বালাঃ

গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি এবং শেষ দিকে এটা খুব সাধারন ঘটনা। মশলাযুক্ত খাবার ও প্রচুর পরিমান পানি এবং সম্ভব হলে দুধ পান করলে বুক জ্বালা কমে যাবি। গর্ভাবস্থায় এন্টাসিড বা অম্লনাশক পরিহার করা উচিৎ।

 

বারবার প্রসাবের বেগঃ

গর্ভের প্রথম ৩ থেকে ৪ মাস এটা হওয়া স্বাভাবিক। প্রসাবের জ্বালাপোড়া না থাকলে এ নিয়ে চিন্তার কোন কারন নেই।

 

কোষ্ঠ কাঠিন্যঃ

প্রচুর পানি খেতে হবে। ফল আর স্বাভাবিক আঁশযুক্ত খাবার, যেমনঃ ফল, সাগু, ভূষি খেতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

 

খিল ধরাঃ

গর্ভকালে কোন কোন স্নায়ুর উপর চাপ পড়লে গর্ভবতীর পা বা উরুতে খিল ধরতে পারে। পা শরীর থেকে উঁচু জায়গায় রেখে শুলে অথবা পা ছড়িয়ে বসে পায়ে তেল মালিশ করলে বা বার বার গোটালে ও ছড়ালে এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। গর্ভাবস্থায় ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটলেও এরকম হতে পারে। সেক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে খিল ধরা সেরে যায়।

 

বুক ধড়ফড়ানিঃ

উপরের দিকে জরায়ুর চাপে অথবা যমজ সন্তান পেটে থাকলে উপরের দিকে বেশি চাপ পড়ে ও বুক ধড়ফড়ানি হয়। এতে ঘাবড়াবার কোন কারন নেই।

 

পায়ের শিরা ফুলে যাওয়াঃ

পায়ের দিকে থেকে যেসব শিরা আসছে সেগুলোর উপর গর্ভস্থ শিশুর চাপ পড়ে এবং এর চাপে শিরাগুলো ফুলে যায়। কোন কোন সময় এমনো হয় যে, শিরাগুলো ফেটে যাবে। এমতাবস্থায় চলাফেরা করার সময় পায়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে চলাফেরা করা উচিৎ। বসা বা শবার সময় পা সব সময় উপরে তুলে বসতে বা শুতে হবে।

 

মুখোশ চিহ্নঃ

গর্ভাবস্থায় অনেক মেয়ে মুখে, স্তনে আর পেটের মাঝখানে নিচের দিকে পর্যন্ত গাঢ় সবুজ রঙের দাগ হয়। প্রসবের পর কখনো কখনো এগুলি চলে যায়, কখনো বা যায় না। যে মেয়েরা জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি খায় তাদেরও কখনো কখনো এরকম দাগ হয়। এগুলি একেবারে স্বাভাবিক ব্যাপার, কোনো দুর্বলতা বা অসুখ বোঝায় না। তাই কোনো চিকিৎসারও প্রয়োজন নেই।