Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Aug 19, 2014 in গর্ভধারণ, গর্ভবতী মা |

গর্ভকালীন সময়ের খাওয়া-দাওয়ার রকম সকম

গর্ভকালীন সময়ের খাওয়া-দাওয়ার রকম সকম

অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে খাবার দাবারের প্রতি বেশি নজর দেওয়া উচিৎ গর্ভকালীন সময়ে। মায়ের স্বাস্থ্য সঠিক রাখার পাশাপাশি গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হয় বলে মায়ের সাধারণ ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে আনা দরকার সুশৃঙ্খল পরিবর্তন। কি ধরণের পরিবর্তন গর্ভাবস্থায় আপনাকে ও আপনার সন্তানকে রাখবে সুস্থ ও সবল চলুন জেনে নেই এমন ছয়টি পন্থাঃ

  • প্রতিদিনের খাবারে যোগ করুন প্রোটিন, ফলিক এসিড ও আয়রনঃ আপনার খাদ্য তালিকায় অন্য সময়ের চেয়ে বেশি পরিমাণে প্রোটিন, ফলিক এসিড ও অয়রন সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। আপনার উদরে বেড়ে উঠা শিশুর বৃদ্ধির জন্য এই উপাদানগুলো অনেক বেশি প্রয়োজন।
  • ক্যাফেইন, পনির সব বাদঃ পনির ও পনির দিয়ে তৈরি খাবার-দাবার, ক্যাফেইনযুক্ত খাদ্যগুলো আপনার শিশুর ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এসব খাবারকে ‘না’ বলুন। অনেকে আছেন যারা এসব খাবার ছাড়া থাকতেই পারেন না। তাঁদের ক্ষেত্রে পরামর্শ হবে ধীরে ধীরে এসব খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন।
  • গ্রহণ করুন গর্ভকালীন ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্টঃ গর্ভকালীন সময়ে মায়ের শরীরে ভিটামিন ও মিনারেল এর অভাব থাকলে তা শিশুর শরীরেও প্রভাব ফেলবে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করুন অতিরিক্ত ভিটামিন ও মিনারেল বর্ধক ওষুধ। তবে তা কখনোই আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ ছাড়া নয়। এছাড়া নিশ্চিত হোন আপনি যা ভিটামিন ওষুধ সেবন করছেন তাতে পর্যাপ্ত ফলিক এসিড থাকছে।
  • গর্ভকালীন সময়ে কোন ডায়েট নয়ঃ গর্ভকালীন সময়ে নিশ্চিতভাবে অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি খাবার-দাবার খেতে হবে, তা না হলে শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে। তাই এ সময়ে কোন ডায়েটের কথা চিন্তা করাও যাবে না। ডায়েট করতে গিয়ে নিজের কিংবা সন্তানের বিপদ ডেকে আনবেন না।
  • খাবার খান অল্প বিরতিতে বারবারঃ এক সময় অনেক বেশি খাবার খেতে গেলে মায়ের উপরও চাপ পড়বে, তাই ছোট ছোট বিরতিতে অল্প করে খাবার খেতে শুরু করুন, এতে আপনার রুচিও নষ্ট হবে না আর খেতে কিছুটা স্বস্তি পাবেন। দিনে তিন বেলা না খেয়ে ছোট ছোট বিরতিতে ছয়বার বা তাঁর বেশি খাবার খেতে চেষ্টা করুন।
  • কোন ফাস্টফুড নয়ঃ ফাস্টফুড বা জাঙ্কফুড একেবারে বাদ দিতে হবে এইসময়। অনেকে আছেন এসব খাবারের প্রতি আসক্ত। কিন্তু শিশুর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে কিছুদিনের জন্য এসব খাবার দূরে সরিয়ে রাখুন।