গর্ভাবস্থায় জরুরী ফলিক এসিডঃ কোন কোন খাবার থেকে পাবেন?
আপনি যদি গর্ভবতী হোন কিংবা খুব শিগগিরই কোন ভালো খবর শোনার অপেক্ষায় আছেন তবে জেনে রাখুন, গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিড অত্যন্ত জরুরী একটি খাদ্য উপাদান। এটি মা ও মায়ের শরীরে যে বেড়ে উঠছে উভয়ের জন্যই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। তাই এ সময় চিকিৎসকেরা হবু মা’দের বেশি করে ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই ফলিক এসিডের বেশ ক’টি উৎস জেনে নিন যা আপনার কাজে লাগতে পারেঃ
ডালঃ
ডাল ও ডালের তৈরি বিভিন্ন খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড থাকে। মাতৃত্বকালীন খাবারের তালিকায় যদি প্রতিদিন ১/২ কাপ ডাল খাওয়া হয় তবে তা থেকে ১৮০ মাইক্রোগ্রামের মত ফলিক এসিড পাওয়া যায়। এছাড়াও ডাল গর্ভকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টিমান যেমন আয়রন, ফাইবার ইত্যাদিতে সমৃদ্ধ থাকে।
সবুজ শাক-সবজিঃ
সবুজ শাক সবজিতে প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে যা একজন মায়ের শরীরে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেমন এক থেকে দুই কাপ সবজিতে উপাদান ভেদে ৫০ থেকে ৯০ মাইক্রোগ্রামের মতো ফলিক এসিড পাওয়া যায়।
কমলাঃ
একটি বড় কমলা ৫৫ মাইক্রোগ্রামের মতো ফলিক এসিড বহন করে। আবার কমলার রসেও প্রচুর পরিমাণে উপাদানটি পাওয়া যায়। গর্ভবতী মায়ের জন্য এই কমলা ও কমলা থেকে তৈরি বিভিন্ন খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিমের বিচিঃ
ফলিক এসিডের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস শিমের বিচি। আধা কাপ শিমের বিচি থেকে ১১৫ গ্রামের মতো ফলিক এসিড পাওয়া যেতে পারে। শুকনো এবং কাঁচা শিমের বিচি দুটিতেই সমপরিমাণে এই খাদ্য উপাদান পাওয়া যায়।
ব্রোকলিঃ
বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিমানে সমৃদ্ধ ব্রোকলির প্রত্যেক আধা কাপে ১০৪ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড থাকে যা প্রত্যেক দিনের ফলিক এসিড চাহিদার চার ভাগের এক ভাগ। এছাড়াও এটি বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি, আয়রন, ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
শস্যদানাঃ
বিভিন্ন রকমের শস্যদানা ও শস্যদানা দিয়ে প্রস্তুত খাবারে ফলিক এসিড প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকম শস্য দিয়ে তৈরী রুটি, পিঠা এক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।


