Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jul 3, 2014 in স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

দুই শিশু সন্তানের মাঝে কলহঃ বাবা-মায়ের ভূমিকা

দুই শিশু সন্তানের মাঝে কলহঃ বাবা-মায়ের ভূমিকা

পৃথিবীর মধুরতম সম্পর্কগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি সম্পর্ক হলো দুই ভাই-বোন, ভাই-ভাই, বোন-বোনের মধ্যের সম্পর্ক। কিন্তু ছোটবেলায় অনেক কিছুই হয়ে থাকে যা দুই ভাই বোনের মধ্যে তিক্ত বা ঝগড়াঝাঁটিপূর্ণ সম্পর্কের সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারণগুলো হয় খুব ছোট-খাটো ধরণের। তবে বাবা-মায়ের একটু সহযোগিতা, একটু চেষ্টা তাঁদের দুই সন্তানের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। কি করে দুই সন্তানের মাঝে ভালো সম্পর্কের এই বীজ বপন করতে পারবেন? আজ রয়েছে কিছু পরামর্শঃ

  • দুই সন্তানকে একে অপরের প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলবেন না। এতে তাদের মাঝে ভালো সম্পর্ক তৈরি হতে পারবে না। একেক সন্তান ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে ভিন্ন মেধার অধিকারী হতে পারে। তাই বলে দুই সন্তানের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক তৈরি করে দেবেন না।
  • প্রত্যেক সন্তানকে আলাদা আলাদা করে সময় দিন, তাদের মানসিকতা আলাদা হতেই পারে এবং তা বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার সব সন্তান এক রকম না হতেই পারে। তাই সবাইকে একভাবে দেখার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন।
  • আপনার এক সন্তান অন্য সন্তানের নামে নালিশ করলে তা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। আপনি প্রশ্রয় দিলে এসবে আপনার সন্তান আরও বেশি উৎসাহিত হবে। বরং তাকে নিজের সমস্যা নিজেকেই বোঝাপড়ার মাধ্যমেই সমাধান করতে সুযোগ দিন।
  • বিভিন্ন সময় এমন কিছু ঘটতে পারে যা কখনোই কাম্য নয়। যেমন দুই সন্তানের মারামারি করা, একে অন্যকে আঘাত করা এসব কিছুকে কোনভাবেই প্রশ্রয় দেবেন না। দুই সন্তানকে সমানভাবে শাসন করে বুঝিয়ে দিন তারা যা করছে তা অন্যায়। প্রয়োজন মনে করলে শাস্তিও দিতে পারেন।
  • অনেক সময় খেলনা, বিভিন্ন শখের বস্তু নিয়ে দুই সন্তানের ঝগড়া হতে পারে। এক্ষেত্রে যথাসম্ভব আলাদাভাবে তাদের প্রয়োজনীয় খেলনা বা অন্যান্য জিনিস দিতে চেষ্টা করুন।
  • ভালো সম্পর্ক কিংবা দুই সন্তানের ভালো ব্যবহারকে উৎসাহিত করুন, পুরষ্কারের ব্যবস্থাও করতে পারেন। এতে তারা উপহার পেয়ে উৎসাহিত বোধ করবে এবং নিজেদের মাঝে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে।
  • বাবা-মা নিজেদের ভাই বোনের সাথে কেমন ব্যবহার করছে তা সন্তানরা অনুকরণ করে থাকে। তাই সন্তানের কাছে নিজেদের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করুন।
  • পরিবারের সবাই যতক্ষণ সম্ভব একসঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চেষ্টা করুন। এতে সবার মাঝের মায়া-মমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞান তৈরি হবার জন্য আপনার সন্তানরা সময় পাবে।