যা কিছু আপনাকে বলে দেয় আপনি মা হতে চলেছেন…..
এমন অনেক কিছুই আছে যা একজন নারীকে জানান দেয় তাঁর শরীরে বেড়ে উঠছে আরও একজন। তাঁর একান্ত আপন সন্তান। তবে অনেক সময় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা না করে কিছুতেই নিশ্চিত হওয়া যায় না আসলেই একজন নারী মা হতে যাচ্ছেন কি না! কারণ অনেক ক্ষেত্রে এমন কিছু লক্ষণ অন্য সমস্যার কারণেও হতে পারে। জেনে নিন এমন সাতটিলক্ষণের কথা যা পরবর্তী সময়ে আপনাকে এই সুখ সময়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দেবেঃ
- ঋতুস্রাবের স্বাভাবিক সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও তা না হওয়াটাই সাধারণত গর্ভধারণের প্রধান কারণ বলে বিবেচিত হয়। তবে ওজন বৃদ্ধি কিংবা কমে যাওয়া, হরমোনের সমস্যা সহ বিভিন্ন কারণে ঋতুস্রাবের সময়ে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিভিন্ন হোম প্রেগনেন্সি টেস্ট কিটের সাহায্যে এ ব্যপারে নিশ্চিত হোন।
- বমি বমি ভাব, মর্নিং সিকনেস এসব কিছুও শুরু হয় গর্ভধারণের প্রথম দিকেই। গর্ভধারণের দুই থেকে আট সপ্তাহে এই সমস্যা বেশি হয়। চিকিৎসকের সাথে সরাসরি সাক্ষাতকার আপনাকে এ ব্যপারে নিশ্চিত ধারনা দেবে।
- গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই স্তনের আকার পূর্বের তুলনায় স্ফীত হয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় এটি হরমোনের সমস্যা, জন্ম বিরতিকরণ ঔষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণেও ঘটতে পারে।
- খুব বেশি শরীর দুর্বল লাগা কিংবা ঘুম পাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ এ সময় বেশি দেখা যায়। হঠাৎ শরীরে পরিবর্তন আসে বলে এমন দেখা যায়। তবে নিশ্চিত হোন এটি কি গর্ভধারণের জন্য হচ্ছে নাকি অন্য কোন অসুস্থতা, মানসিক চাপ থেকে হচ্ছে।
- প্রায়শই মাথাব্যথা করা গর্ভধারণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ বলে ধরা হয়। গর্ভাবস্থায় এস্ট্রোজেন এর মাত্রা বৃদ্ধি পায় বলে এমন হয়।
- হঠাৎ হঠাৎ কোন খাবার খেতে ইচ্ছে করা, টক জাতীয় খাদ্যবস্তুর উপর আকর্ষণ আপনাকে জানান দেবে যে আপনি মা হতে চলেছেন। তবে মাঝে মাঝে অনিয়মিত ঋতুস্রাব, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণেও এমন ইচ্ছে দেখা দিতে পারে।
- প্রস্রাবের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াও গর্ভধারণের একটি লক্ষণ। গর্ভধারণের ছয় থেকে আট সপ্তাহের সময় এটি বেশি দেখা যায়। তবে ডায়াবেটিসের সমস্যা, মূত্রনালিতে কোন সমস্যা হলেও এই সমস্যা দেখা যায়। তাই চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে আসুন। কারণ এই সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াটাই শ্রেয়।


