শিশুর সঠিক বিকাশে যা যা প্রয়োজন
বর্তমান সময়ে শিশুর বিকাশ নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। আর বাবা মায়েরাও বেশ সচেতন হয়ে উঠেছেন এ ব্যাপারে। সম্পূর্ণ দিকটিই দেখভাল করার দায়িত্ব যেহেতু সন্তানের বাব-মা’র তাই জেনে নেওয়াটাই ভালো যে ছোটবেলা থেকে মেধাবিকাশে কি ধরণের সাহায্য একটি শিশুর প্রয়োজন হতে পারে। শিশুর জন্মের পর প্রতিটি মুহূর্তই তার জন্য শেখার সময়, দেখার সময়, জানার সময়। তাই চলুন দেখে নেওয়া যাক, শিশুর মেধাবিকাশের সহায়ক কিছু বিষয়ঃ
- বাবা-মা, পরিবারের জেষ্ঠ্য সদস্যদের আদর মমতা ভরা ব্যবহার, শিশুর সাথে সবসময় কথা বলা, তার প্রতিটি বিষয়ে সাধ্যমত রেসপন্স করা, প্রতিটি বিষয়কে পজিটিভ ভাবে শিশুকে বোঝানো- এই বিষয়গুলো শিশুর মেধাবিকাশে দারুণ ভূমিকা পালন করতে পারে। আশেপাশে প্রত্যেকটি মানুষ থেকে আদর –ভালোবাসা, সবসময় কথা বলা, খেলা এই সাধারণ কাজগুলোই শিশুর মেধাবিকাশে অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। এই সাধারণ ব্যাপারগুলোই তাকে অনেক কিছু শিখতে, জানতে সাহায্য করে।
- শিশুকে যতটা সম্ভব হাশি-খুশি পরিবেশ ও আনন্দের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করুন। আর সাথে কথা বলুন, বই পড়ে শোনান, গান গাইয়ে সন্তানকে আনন্দ দিন। এছাড়াও ছোটখাটো খেলার মধ্য দিয়েও সন্তানকে সুস্থ মেধাবিকাশের দিকে এগিয়ে নিতে পারেন সহজেই।
- খাবার শুধু শিশুর শারীরিক বিকাশেই নয়, মানসিক বিকাশে রাখতে পারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এক্ষেত্রে, মায়ের দুধ শিশুর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ খাদ্য। যতটা সম্ভব শিশুকে বুকের দুধ দিন। ছয় মাস পর সাথে অন্যান্য স্বাভাবিক খাবারও দিতে পারেন ধীরে ধীরে। মনে রাখবেন, আয়রন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার শিশুর মেধা বিকাশে অনেক বেশি সহায়ক। এছাড়াও খাওয়ানোর সময় শিশুর হাতে, মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করুন, চোখে চোখ রেখে কথা বলুন।
- আপনার সন্তানের জন্য সবসময় যে খুব দামি খেলনা বা শিক্ষা উপকরণ দরকার তা কিন্তু নয়। আপনার হাসি আর আদর মাখা কথা-বার্তা, খেলাধুলাই সন্তানের শ্রেষ্ঠ খেলনা হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া আপনার সন্তানকে বিভিন্ন শিশুতোষ অনুষ্ঠান, সিডি, ডিভিডি দেখাতে উৎসাহিত করুন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই সময় হতে হবে নির্দিষ্ট।


