Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jan 7, 2015 in জেনে রাখা ভাল |

শিশুর জন্য বুদ্ধিদীপ্ত পরিবেশ করে তুলতে করণীয় ছয়টি বিষয়

শিশুর জন্য বুদ্ধিদীপ্ত পরিবেশ করে তুলতে করণীয় ছয়টি বিষয়

পুষ্টিকর খাবার কিংবা শিশুর সঙ্গে গলায় গলায় বন্ধুত্ব শিশুকে সুস্থ রাখে কিংবা শিশুকে উন্নত মন-মানসিকতার পথে এগিয়ে নিয়ে যায় এটা যেমন ঠিক, ঠিক তেমনি শিশু একটু বড় হওয়ার সাথে সাথে বাবা-মা’কে আরো কিছু বিষয়ে সচেতন পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে শিশুরা বুদ্ধিদীপ্ত ও শাণিত মেধা সম্পন্ন হতে পারে। এই ধরণের ছয়টি বিষয় নিয়েই কথা বলছি আজ।

  • প্রথম বিষয়টি হলো শিশুর সাথে যুক্তিতর্ক করা। অবাক হচ্ছেন? নাহ! অযথা কোন তুচ্ছ বিষয় নয় এই যুক্তিতর্কে অংশ নিন শিশুর সাথে কোন বিষয়ে আলোচনা করতে। ছোট থেকেই সে যদি মত প্রকাশ করার সুযোগ পায় এটি তার মধ্যে ভাবনার সুযোগটি বিকশিত করবে, ক্কোন কিছুর ভালো খারাপ সম্পর্কে বুঝতে শিখবে। যেমন গল্পের বা ছড়ার বই কেনার ক্ষেত্রে এইরকম কিছু করে আপনার সন্তানের যুক্তি ও চিন্তা-ভাবনার ক্ষমতা যাচাই করে নিতে পারেন।
  • শিশুকে আবেগ অনুভূতি এসব বিষয়ে শিক্ষা দিন, ছোটবেলা থেকেই ভালো-খারাপ, কোন বিষয়ে খুশি বা আনন্দিত হতে হবে, কোন বিষয়ে দুঃখিত হতে হবে এসব বিষয়ে শিশুকে বুঝিয়ে বলুন।
  • শিশুর সাথে খেলাধুলার সময়টি আরো বেশি কার্যকরী করে তুলুন। যেমন ছবি দেখিয়ে কোনকিছু চেনানো বা বোঝানো, কোন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দুজন মিলে নাটক তৈরি করে শিশুকে কোন পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া এসব খেলা অংশ নিন।
  • বাসায় আপনার সন্তানের জন্য সৃজনশীলতা পরিবেশ রাখুন এবং শিশুকে সৃজনশীল কোন কিছুতে যুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। যেমন ছবি আকা, নাচ-গান এসব কাজে শিশুর শিশু বেশ দ্রুত বুদ্ধিদীপ্ত হয়ে উঠতে পারে।
  • বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, শিশুদের ভালো কোন কাজের প্রশংসা করলে তারা বারবার সেই কাজে কিংবা আরো ভালো কাজে যুক্ত হতে চেষ্টা করে। তাই শিশুদের প্রশংসা করার ব্যাপারে বাবা-মায়ের উদার মানসিকতার পরিচয় দিতে হবে। আর কোন ভুল করলেও সেট যদি ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া যায় তবে সে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাজে কাজ থেকে দূরে থাকবে।

নয় মাস বয়সের পর হেকেই শিশু আপনার আঙ্গুলের নির্দেশনা বুঝতে শেখে। তাই শিশুকে বিভিন্ন বিষয় বুঝিয়ে বলতে আঙ্গুলের নির্দেশনা ব্যবহার করতে পারুন। শিশুর জন্য এটি ভীষন গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়।