Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jul 23, 2014 in স্কুলের পথে |

শিশুকে সততা, সত্যবাদিতা শেখানোর সাতটি উপায়

শিশুকে সততা, সত্যবাদিতা শেখানোর সাতটি উপায়

সন্তানকে ছোটবেলা থেকে সততা, সত্যবাদিতা শেখানো বাবা-মায়ের একান্ত কর্তব্যের মধ্যে একটি। এই অভ্যাসগুলো ছোটবেলা থেকে শিশুর মাঝে তৈরি করতে না পারলে ছোট ছোট ভুলগুলোই শিশুর পরবর্তী জীবনে বড় কোন ভুলের কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে। তিন/চার বছর বয়সে শিশুরা খাওয়া নিয়ে, নিয়মভঙ্গ করা নিয়ে, পড়ায় ফাঁকি দিতে কিংবা শুধুমাত্র কল্পনাপ্রসূত ভাবনার ফলেই মিথ্যে বলতে পারে। কি করে শিশুর মাঝে সততা, সত্যবাদিতার মতো গুণগুলো তৈরি করতে পারেন? এ বিষয়ে সাতটি উপায় জানিয়ে দিচ্ছি আজ যা আপনার কাজে লাগতে পারে।

১। শিশুকে কখনো সরাসরি এ কথাটি বলবেন না যে “তুমি মিথ্যেবাদী”। এতে করে সে অপমানিত বোধ করে জেদের বশে বারবার একই ভুল করতে পারে। তাকে খুব শান্তভাবে আদর করে বুঝিয়ে বলুন যে সে যা করছে তা ঠিক করছে না কিংবা তাকে সত্য বলার পরিবেশ তৈরি করে দিন যাতে সে নির্ভয়ে সত্য বলতে পারে।

২। যখন আপনি জানতে বা বুঝতে পারেন যে আপনার সন্তান মিথ্যে কথা বলছে তখন কথা ঘুরিয়ে না বলে সরাসরি কথা বলুন। এক কথা বারবার জানতে চেয়ে কিংবা শিশুর সত্যি বলার পরেও তাকে বারবার জেরা করলে আপনার সন্তানের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে।

৩। শিশু কেন মিথ্যা বলছে তার কারন খুঁজে বের করার দায়িত্ব আপনারই। সে কি কারণে বা কোন ভয়ে মিথ্যা বলছে তা তার কাছ থেকে বন্ধু সুলভ ভাবে জেনে নিতে চেষ্টা করুন। তাকে অভয় দিন যে মিথ্যা বলার কারন বলে দিলে তার কোন রকম শাস্তি হবে না। এতে করে আপনিও জেনে নিতে পারবেন কি কারনে আপনার সন্তান মিথ্যা কথা বলছে এবং এ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

৪। সত্য বলাকে সবসময়ই ভালো চোখে দেখুন, উৎসাহিত করুন। এতে শিশু মিথ্যা বলতে আগ্রহী হবে না। আদর ভালোবাসা প্রিয় হয় বলে সহজেই তাদের সত্য বলার দিকে আকৃষ্ট করা যেতে পারে।

৫। সন্তানকে বুঝিয়ে দিন মিথ্যা কখনো কাউকে কোন বিপদ থেকে বাঁচাতে পারেনা। বরং বড় কোন বিপদের দিকে ঠেলে দেয়। তাই বারবার যখনই সুযোগ পান শিশুকে বিভিন্ন কৌশলে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দিন।

৬। মিথ্যে ছোট আর বড় হোক তা মিথ্যেই থেকে যায়। ছোট ভুল ভেবে সন্তানের কোন রকমের মিথ্যাকেই প্রশ্রয় দেবেন না। এতে সে ভাববে মিথ্যা বলা এমন কোন দোষের কিছু নয় আর ভবিষ্যতে আরও বড় মিথ্যা বলতে সাহস পাবে।

৭। নিজেকে এমনভাবে তৈরি করুন যাতে আপনার সন্তান আপনাকে আদর্শ ভাবতে পারে। এই আদর্শেই আপনার শিশু উৎসাহ পাবে আর নিজেকে সেইভাবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করবে। তাই সবার আগে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে নিন।