Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on May 31, 2014 in ছোট্টমনি, স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

শিশুর খাদ্য তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু খাবারের কথা

শিশুর খাদ্য তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু খাবারের কথা

মায়েরা অনেক সময়ই বুঝতে পারেন না শিশুর জন্য কোন খাবার ভালো আর কোন খাবার ভালো না। পুষ্টিমান সম্পর্কেও সঠিক ধারনাও অনেকেরই থাকে না। তাই কি খাওয়ালে সন্তানের উপকার হবে আর কোন খাবারের কি পুষ্টিমান সে ব্যপারে অন্ধকারেই থেকে যান অনেক মা। তাই আজ এমন কিছু খাবার সম্পর্কে বলছি যেসব খাবারের পুষ্টিমান অনেক বেশি আর মায়েরাও এসব খাবার খাইয়ে সন্তানের পুষ্টিগুণের ব্যপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন।

(১) কালোজামঃ এন্টি অক্সিডেন্ট ও ফ্লাভোনয়েডসে ভরপুর কালোজাম আপনার সন্তানের চোখ, মস্তিষ্কের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিশু আস্ত কালোজাম খেতে না পারলে রস করে খাওয়ান।

(২) দইঃ দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-ডি থাকে। আপনার শিশু ছয় মাস বয়সের পর থেকে দই খেতে পারবে। তার মানে, শিশুর শরীর গরুর দুধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার অনেক আগেই (শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত গরুর দুধ তার শরীরের জন্য উপযোগী নয়) দইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়। এ থেকে শিশু তার প্রয়োজনীয় প্রোটিন পেতে পারে।

(৩) কমলা রঙের সবজিঃ কমলা রঙের বিভিন্ন সবজি, ফলমূল যেমন মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন-এ থাকে। বিশেষ করে চোখের জন্য এসব সবজি, ফলমূল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

(৪) বিভিন্ন রকমের ডালঃ বিভিন্ন রকমের ডাল, শিমের বিচি ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ। এসব ডাল জাতীয় খাদ্য শিশুর খাবার উপযোগী করে তৈরী করে খেতে দিন ছোটবেলা থেকেই।

(৫) সবুজ শাকসবজিঃ সবাই ভালো করেই জানেন সবুজ শাকসবজি শিশুর জন্য অনেক বেশি উপকারী। প্রচুর মাত্রায় আয়রন, ভিটামিন সহ বিভিন্ন খাদ্য উপাদানে ভরপুর এসব সবুজ শাকসবজি আপনার সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই খেতে দিন।

(৬) ব্রোকলিঃ আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সবজিটি নতুন হলেও শীতকালে প্রচুর পরিমাণে এবং কম দামেই পাওয়া যায়। এটি প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ফলিক এসিড সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে ভরপুর যা ক্যান্সার পর্যন্ত নিরাময়ে সহায়ক।

(৮) লাল মাংসঃ লাল মাংস বয়স্কদের জন্য অনেকটা ক্ষতিকর হলেও আপনার সন্তানকে এসব খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন না। নির্দিষ্ট বয়সের শিশু যখন খেতে পারে তখন তাকে একটু একটু করে লাল মাংস খেতে দিন। এটি জিঙ্ক, আয়রন ও স্নেহের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।