Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on May 23, 2014 in গর্ভবতী মা, জেনে রাখা ভাল |

সময়মতো শিশুর কাজ সম্পন্ন করার সাতটি পন্থা

সময়মতো শিশুর কাজ সম্পন্ন করার সাতটি পন্থা

সন্তানের জন্মের পর মায়ের দিনের অধিকাংশ সময় চলে যায় সন্তানের খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানো আর আনুসাঙ্গিক সব কাজ করার মাঝেই। মা অনেক সময় হাঁপিয়ে উঠেন এসব বিভিন্ন কাজের ব্যপারে আর তার ফলে মা নিজের যত্ন করতেই ভুলে যান অনেক সময়। তাই এ সমস্যা থেকে বাঁচতে শিশুর সকল কাজের একটি রুটিন আপনাকে সময় ও সুযোগ করে দিতে পারে সন্তানের সাথে সাথে আপনার নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করতে। কিন্তু কি করে শুরু করবেন? সফলভাবে শুরু করার জন্যই আজ জানাচ্ছি সাতটি পন্থাঃ

  • শিশুর ঘুমানোর সময়টি ঠিক করে বুঝে নিন। তারপর ঘুমের সময়ের একটি রুটিন তৈরী করুন। প্রথম কয়েকমাস শিশুকে কোন ঘুমের সময়সীমায় বাঁধা না গেলেও পরবর্তীতে চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব রাতের দিকে শিশুর ঘুমানোর সময়টা বেঁধে দিতে। শিশুর দুই মাস বয়স থেকেই এ চেষ্টা শুরু করতে পারেন।
  • আপনার সন্তানকে দিন ও রাতের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করুন। দিনের বেলা তাকে যতটা সম্ভব আলো ও বিভিন্ন শব্দের মাঝে বড় হতে দিন। এতে তার মস্তিষ্ক উন্নয়নের সাথে রাতের বেলা ঘুমানোর সময়টাও বৃদ্ধি পাবে আর আপনাকে সারাদিনের সঠিক একটি রুটিন তৈরী করতে সহায়তা করবে।
  • ধৈর্য ও সময় নিয়ে শিশু কি চায়, কিভাবে কখন কি করতে চায় সেটা বুঝুন। জোর করে তার উপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাইলে তার ফল বেশিরভাগ সময়ই খারাপ দিকেই প্রবাহিত হবে।
  • সবকিছুর আগে শিশুকে প্রাধান্য দিন। এমন কোন ভাবে রুটিন করবেন না যাতে আপনার সন্তানের তাতে অসুবিধে হয়। শিশুর শরীর, স্বাস্থ্যের চাহিদা মাথায় রাখুন সবার আগে। তারপর নিজের কাজগুলো বাকি সময়টাতে গুছিয়ে নিন।
  • শিশুর বয়স ও শারীরিক বৃদ্ধির সাথে সাথে তার চাহিদা, খাবার ও আচরণ সবকিছুতেই পরিবর্তন আসবে। এই পরিবর্তনের সাথে যতটা সম্ভব নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। আর সে অনুযায়ী হয়তো পরিবর্তন আসতে পারে সময়সূচীতেও।
  • নিজের বিভিন্ন পরিবর্তনকেও শিশুর পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিন। শিশুর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তার বিভিন্ন প্রয়োজন বুঝতে চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব।
  • এতো কিছু করার পরেও সব ঠিকঠাক যাবে এমন ভরসা কেউই দিতে পারবে না। কারণ ইচ্ছাকৃত/ অনিচ্ছাকৃত ভিবিন্ন কারণে বিভিন্ন পরিবর্তন আসতে পারে আপনার জীবনে। আর সেই সঙ্গে আপনার সন্তানেরও। তাই নিজকে যেকোন অবস্থার জন্য প্রস্তুত রাখার মানসিকতা তৈরি রাখুন সবসময়।