শিশুর বমি করাঃ কোনটি স্বাভাবিক, কোনটি অস্বাভাবিক?
ছোট নবজাতক শিশুদের মধ্যে অনেক কিছুর মতো বমি করার প্রবণতাও অনেকসময় বিরাটাকারে দেখা যেতে পারে। শিশুর জীবনের প্রথম কিছু সপ্তাহে খাওয়ার সাথে সামঞ্জস্য করতেযেয়ে, হঠাৎ পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শিশুর বমি’র এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।চলুন আজ জেনে নেই শিশুর বমি হওয়ার আদ্যোপান্তঃ
শিশুর বমি হওয়ার সমস্যা শুরু হলে তা ছয় থেকে চব্বিশ ঘণ্টা পরপর তা হতে পারে। এর জন্য আলাদা কোন ট্রিটমেন্ট এর দরকার হয়না বরং শিশুকে পানিশূন্যতা থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার তরল জাতীয় কাহবার খাওয়ালেই চলে। এক্ষেত্রে বাড়তি কোনকিছুর দরকার পড়েনা। বরং শিশুর যাতে খাবার থেকে কোনরকম ইনফেকশন না হয়ে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।
কখন বমি’র সাথে যোগ হয় দুশ্চিন্তা?
শিশুর অতিরিক্ত খাবার খাওয়া, খাবারের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে সমস্যা হলে শিশুর বমি’র সমস্যা দেখা যায়। কিন্ত এছাড়াও পেটের ইনফেকশন, ফুড এলার্জিসহ অন্যান্য বিভিন্ন কারণে শিশুর বমি হতে পারে যা মায়ের জন্য বমি’র সাথে আলাদা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া শিশুর বমি সম্পর্কে বাব-মায়ের সত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে যদি নিন্মোক্ত উপসর্গগুলো দেখা যায়
- বমির সাথে রক্ত যাওয়া,
- শিশুকে খাওয়ানোর আধাঘন্টার মধ্যে বারবার বমি করে পুরো খাবার বের করে দেওয়া,
- পেট বসে যাওয়া কিংবা ফেঁপে থাকা,
- বমির সাথে সবুজ পাতলা তরল বেরিয়ে যাওয়া।
এসব লক্ষণ দেখলে বসে না থেকে অতিদ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কি করবেন আপনি?
বমি করলে বাবা-মা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হবে-
- শিশুকে তরল খাবার বারবার খেতে দিতে হবে। বমি মাধ্যমে শিশুর যতটা তরল শরীর থেকে বেরিয়ে গেছে তা যাতে সঠিকভাবে পূরণ হয়ে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। এর সবচেয়ে বড় উৎস হতে পারে বুকের দুধ। কিন্তু এক্ষেত্রে শিশুকে ফলের রস দেওয়া থেকে বিরত রাখুন।
- শিশুকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আগের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে শিশু খুব তাড়াতাড়ি সহজ হয়ে যেতে পারে।
- সবশেষে শিশুকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। যাতে শিশুর উপর যতটা ধকল যায় তা দূর হতে পারে।


