Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on May 11, 2014 in ছোট্টমনি, স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

শিশুর ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে কিছু কথা

শিশুর ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে কিছু কথা

নবজাতক থেকে শুরু করে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের যেসব সমস্যা দেখা যায় তার মধ্যে যে সমস্যাটির সাথে বাবা-মা সবচেয়ে বেশি পরিচিত তা হলো ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা। জ্বর, সর্দি-কাশি, কফ জমে যাওয়া ইত্যাদি যেন বাবা মায়ের একের পর এক শুনতেই হয়। তাই চলুন আজ কথা বলা যাক শিশুর ঠান্ডা নিয়েঃ

শিশুর ঠান্ডার ওষুধপত্রঃ ঠান্ডা সমস্যার জন্য চিকিৎসকেরা সাধারন কিছু ষুধ দিয়ে থাকেন যা শিশুর ঠান্ডার উপশম হিসেবে কাজ করে। তবে কখনোই চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া কোন ঔষুধ আপনার সন্তানকে খাওয়াবেন না। এতে সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হলো কখনোই শিশুকে এসপিরিন জাতীয় কোন ঔষুধ দেবেন না।

প্রাকৃতিক নিরাময়, কতটা গ্রহনযোগ্য? প্রকৃতি থেকে পাওয়া ঔষুধ যেমন তুলসী পাতা, পাথরকুচি পাতার রস শিশুর ঠান্ডা জ্বর সর্দিতে খুব ভালো কাজ করে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এসব পাতার রসের কোন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। তবে শিশু কতটা এ ধরণের ওষুধ গ্রহন করতে পারছে তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

ডাক্তার কখন দরকারঃ সর্দি কাশি আপনার ছোট্ট সোনামনির খুব সাধারন সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। তবে খারাপ কিছু হলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। কি করে বুঝবেন কখন আপনার সন্তানের জন্য চিকিৎসকের শরনাপন্ন হবেন জেনে নিনঃ

(১) আপনার সন্তানের বয়স যদি তিন মাসের কম হয় তবে ১০০ ডিগ্রীর উপরে জ্বর ও কাশি থাকলেই ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। এই সময় শিশুর শরীর অনেক নরম থাকে বলেই অনেক কিছু তাকে আক্রমণ করতে পারে। এ বিষয়ে সজাগ থাকুন।

(২) সন্তানের বয়স যাই হোক, দুই দিনের বেশি জ্বর, ঠান্ডা, কাশি থাকলেই চিকিৎসকের শরনাপন্ন হোন। যাতে কোনভাবেই তা নিউমোনিয়া পর্যন্ত না যেতে পারে।

(৩) ঠান্ডার সময় শিশুর ঘুমানো, খাওয়া সহ বিভিন্ন সাধারন ব্যপারে উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন দেখলেও চিকিৎসকের শরনাপন্ন হোন। আপনার সচেতনতাই আপনার সন্তানকে বড় কোন রোগবালাই থেকে রক্ষা করতে পারে।