Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Mar 23, 2014 in গর্ভবতী মা |

প্রসবোত্তর মায়ের কিছু সমস্যা ও তার প্রতিকার

প্রসবোত্তর মায়ের কিছু সমস্যা ও তার প্রতিকার

প্রসবোত্তর মায়েদের কিছু উপসর্গ দেখা যায় যা সামান্য চেষ্টাতেই প্রতিকার করা সম্ভব।

যোনিপথে অনিয়মিত রক্তস্রাবঃ প্রথমেই বোঝা উচিৎ যে সন্তান হওয়ার পর, বিশেষ করে সন্তান মায়ের দুধ খেলে, প্রথম মাসিক শুরু হওয়ার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। অনেকের ক্ষেত্রেই তা যথেষ্ট দেরিতে শুরু হয়। তাছাড়া প্রথম দুই-এক মাস মাসিক অনিয়মিত হতে পারে। সাধারন স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং রক্তস্বল্পতা দূর হলে তা ক্রমশ ঠিক হয়ে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রথম মাসিকের সময় প্রচুর রক্তপাত হয়। এর কোনটাই বিশেষ দুশ্চিন্তার নয়। তবে সন্তান জন্মানোর পর থেকে যদি ক্রমাগত রক্তস্রাব হয়, তবে তা জরায়ুতে গর্ভফুলের অংশবিশেষ থেকে যাওয়ার জন্য হয়। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিৎ।

 

সাদাস্রাবঃ সন্তান হওয়ার পর কিছুদিন এ ধরনের স্রাব হয় স্বাভাবিক। তবে সাধান স্বাস্থ্যের অবনতি, রক্তস্বল্পতা, যোনিপথে জীবাণু সংক্রমণ অথবা জরায়ুর সম্পূর্ণ সঙ্কোচন না হলে এই স্রাব দীর্ঘদিন ধরে খুব বেশী পরিমাণে হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাধারন স্বাস্থ্যের উন্নতি, রক্তস্বল্পতা দূর করা ও কোন ধরনের জীবাণুর দ্বারা সংক্রমণ হয়েছে কি না তার চিকিৎসা করানো দরকার। সন্তান হওয়ার পর অনেক মহিলার জরায়ুর মুখে ক্ষত থাকে। এর জন্য কোন বিশেষ উপসর্গ না থাকলে চিকিৎসার কোন প্রয়োজন নেই। কারন সাধারনভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিশেষ করে যোনিপথের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে মোটামুটি তিন মাসের মধ্যে এটা নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে এর ব্যতিক্রম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 

পিঠে ব্যথাঃ অপুষ্টি এবং অধিক পরিশ্রমে ক্লান্ত বহু সন্তানের জন্মদাত্রী মহিলাদের একটি সাধান কষ্ট সারাক্ষণ পিঠে ও কোমরে ব্যথা। এর প্রধান কারন কোমরের হাড়ের দুইটি জোড়ার উপর অত্যধিক চাপ। এছাড়া যৌনপথে জরায়ু বের হয়ে আসা, জরায়ু মুখে ঘা, শ্রোণীদেশে প্রদাহ বা জরায়ুর অস্বাভাবিক অবস্থান ইত্যাদি কারনে পিঠে ব্যথা হয়। নিয়মিত পুষ্টিকর আহার, উপযুক্ত বিশ্রাম এবং ব্যায়াম অনেক ক্ষেত্রেই উপকার দেয়।