ছোট্টমনির কান্না নিয়ে যত কথা
আপনার ছোট্ট সোনামনির জীবনের শুরুটাই হয় কান্নার মধ্য দিয়ে। কান্নার মধ্য দিয়েই সে সবাইকে জানান দেয় তার আগমনের কথা। তখন আপনার ছোট্ট শিশু কাঁদে আর তার চারপাশের সবাই হাসতে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আপনার সন্তানের এই কান্না মাঝে মাঝেই আপনার মধ্যে দুশ্চিন্তা এনে দেয়। তাই জেনে নিন বেশ কিছু বিষয় যার জন্য শিশু কেঁদে ওঠেঃ
- সবচেয়ে বেশি যে কারণে আপনার সন্তান বারবার কেঁদে ওঠে তা হলো তার ক্ষুধা। শিশু যে বয়স পর্যন্ত কথা বলে নিজের খিদের কথা জানান দিতে না শেখে ততদিন বুঝতে শিখুন আপনার শিশু কখন ক্ষুধায় কাঁদছে।
- নোংরা ভেজা ডায়াপার শিশুর শরীরে অস্বস্তির সৃষ্টি করে। এছাড়াও এটি শিশুর শরীরে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তাই সময় বুঝে বুঝে শিশুর ডায়াপার বদলে দিন ।
- শিশুর ঘুমের ব্যপারে কারো কারো হয়তো ধারনা হতে পারে যে শিশু যখন ইচ্ছে ঘুমোতে পারে। কিন্তু তা ঠিক নয়। শিশুর ঘুমের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ ঠিক করা দরকার। শিশু যখন ঘুমোতে চায় কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ পায় না তখন সে কেঁদে ওঠে।
- পেটের বিভিন্ন সমস্যা যেমন গ্যাস, খাদ্যের বিভিন্ন সমস্যায় আপনার সন্তান ভুগতে পারে যা সে মুখে বলতে পারে না। তখন আপনার সন্তান কেঁদে জানান দেয় সে পেটের সমস্যায় ভুগছে।
- শিশুর পারিপার্শ্বিক অবস্থা যদি তার অনুকূলে না থাকে, তার প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঠান্ডা বা বেশি গরম হয়ে থাকে তখন সে তা সহ্য করতে না পেরে কেঁদে উঠে।
- আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো শিশু কখনো কখনো কোন কারন ছাড়াই বাবা-মায়ের মনোযোগ আকর্ষনের জন্য কেঁদে ওঠে।
এসব কারণেই শিশু সাধারনত কাঁদে আর আপনাকে জানান দেয় যে সে স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। মা হিসেবে আপনাকে বুঝে নিতে হবে যে সে কি সমস্যায় ভুগছে।
সবসময় শিশুর কান্না কি স্বাভাবিক?
শিশুর কান্না একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটি শিশুর মস্তিষ্ক উন্নয়নের একটি পর্যায়। এছাড়াও শিশু কাঁদলে ফুসফুস সহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রতঙ্গ ভালো থাকে। তাই শিশুর কান্নাকে সাধারন ও দৈনন্দিন প্রক্রিয়াই বলা যায়। তবে খেয়াল রাখা উচিৎ এই কান্নাটি কি স্বাভাবিক না শিশু কোন সমস্যার কারনে কেঁদে উঠছে।


