গর্ভকালের বিপদসংকেত
একজন গর্ভবতী যদি নিচের কোনো সমস্যায় ভোগেন, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হওয়া উচিৎ। কারন, এগুলো অভ্যন্তরীন আরও মারাত্মক কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারেঃ
(১) যোনিপথে রক্তপাত।
(২) প্রচন্ড পেটব্যথা।
(৩) নাভি ও বুকের খাঁচার মাঝামাঝি জায়গায় ব্যথা হওয়া।
(৪) যোনিপথ দিয়ে চুইয়ে অথবা ঝপঝপ করে পানি পড়া।
(৫) মুখ, হাত ও পায়ের আকস্মিক ফোলা অথবা ফোলা ভাব।
(৬) মারাত্মক, ক্রমাগত মাথাব্যাথা।
(৭) প্রসাব করতে ব্যথা অথবা জ্বালা।
(৮) দৃষ্টিবিভ্রম, বিন্দু বিন্দু দেখা, আলোর ঝলকানি কিংবা আঁধার দেখা।
(৯) যোনিপথ দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া, ঘা অথবা চুলকানি।
(১০) ১০০.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে জ্বর হওয়া।
(১১) অবিরাম বমি অথবা বমিভাব।
(১২) গর্ভস্থ শিশুর নড়াচড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।
(১৩) গর্ভকালে কিংবা প্রসবকালে খিঁচুনি হওয়া।
(১৪) যোনিপথে বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য অঙ্গ আসতে থাকা।
উপরের বিপদসংকেতের এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা গেলে কালবিলম্ব না করে সাহায্যের জন্য হাসপাতালে যাওয়া উচিৎ।
গর্ভাবস্থায় যেকনো সমস্যায় তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত জরুরি, এতে দ্রুত রোগ নির্ণয় করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় গর্ভবতীর অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তার অবসান করে। গর্ভাবস্থায় সব সময় ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের কথা মেনে চলা উচিৎ। ভয় না সংকোচ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী ডাক্তার অথবা অভিজ্ঞ জনকে প্রশ্ন করা উচিৎ।
সূত্রঃ প্রসূতি ও প্রসব।


