শিশু কাশির সমস্যায় করনীয় যা কিছু!
ছোটবেলায় সন্তানের যে কয়টি রোগ বাবা-মা’কে সবচেয়ে ভূগতে হয় এদের মধ্য জ্বর, সর্দি,কাশি অন্যতম, শিশুর জ্বরের সমস্যা নিয়ে আগেই বিভিন্ন কথা বলা হয়েছে। চলুন আজ জেনে নেই শিশুর কাশির সমস্যা, কি কি করনীয় এই সব বিষয়ে।
শিশুর কাশির সমস্যা গরম-ঠান্ডা দু’টির কারণেই হতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময়, বেশিক্ষন রোদে থাকলে কিংবা শরীরের আভ্যন্তরীন কোন সমস্যা ফলেও শিশু কাশিতে কিংবা কফের সমস্যা ভুগতে পারে। তবে কাশির সাথে কফ বের হএ গেলে শিশুর ফুসফুস পরিষ্কার করে ও ফুসফুসে বায়ুপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখে। তবে অন্যসব কিছুর মতো খুব অস্বাভাবিকভাবে ও অনেকদিন ধরে শিশুর কাশির সমস্যা দেখা দিলে নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ।
শিশুর কাশির সমস্যাঃ কি করে হবে?
• শিশুকে বেশি করে তরল খাবার খাওয়ান। নবজাতক থেকে চার/ পাঁচ মাসের শিশুদের জন্য মায়ের বুকের দুধই সর্বোতকৃষ্ট।
• যেকোন প্রক্রিয়াজাত খাবার বা কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।
• শিশুর থাকার স্থানের পর্যাপ্ত আলো এবং বাতাসের যাতে সুব্যবস্থা থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
• শিশুর দুর্বলতা দূর করতে স্যালাইন খাওয়াতে পারেন।
• দুই বছরের ছোট কোন শিশুকে কাশি তাড়ানোর জন্য চুইংগাম বা চুষে খাওয়ার ট্যাবলেট দেবেন না। এমনকি এর চেয়ে বড় শিশুদের জন্যেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কখন যাবেন চিকিৎসকের কাছে?
• যখন শিশু কাশির কারণে বুক দিয়ে গড়গড় শব্দ হয় ও সে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়,
• তিন সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে এবং দিন দিন অবস্থা আরো খারাপ হলে,
• শিশুর কাশির সাথে সাথে সবসময়ই জ্বর হলে,
• তিন মাসের শিশুর জ্বর, কাশি দুটিই হলে,
• খুব দ্রুত নিঃশ্বাস উঠানামা করলে,
• ঠোঁট, মুখ কিংবা জিহ্বা নীল কিংবা ধুসর বর্ণ ধারণ করলে।
প্রতিরোধে উপায়ঃ
• শিশুর অ্যাজমা বা এলার্জি থাকলে সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলতে হবে।
• শিশুর সামনে সিগারেট খাওয়া বা ধোঁয়া তৈরী করে এমন কিছু করা যাবেনা,
• নিশ্চিত হোন যে আপনার সন্তানের যক্ষা, ডিপথেরিয়া বা ফ্লু এর টিকা দেওয়া আছে।
• সবসম নিজে হাত পরিষ্কার রাখুন ও শিশুকেও উৎসাহিত করুন।


