গর্ভবতী মায়ের চেকআপের সব বিষয়গুলো
চেকআপ বিষয়টি গর্ভবতী মায়েদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমবার চেকআপের সময় এতে সন্তানের অবস্থা, মায়ের শারীরিক অবস্থাসহ অনেক কিছুই দেখা হয় যা পরবর্তী সময়ে মা কি করবে, কিভাবে চলবে তা নির্ধারন করতে সাহায্য করে। এসব চেকআপের বিস্তারিত সম্পর্কে চলুন জেনে নেইঃ
- প্রথমবার মা’কে পরীক্ষা করার সময় রক্তের হিমোগ্লোবিন, রক্তের গ্রুপ, আর এইচ ফ্যাক্টর, ইউরিন টেস্ট, হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা এসব করিয়ে নিতে হয়।
- পরবর্তীতে মা যতবার চিকিৎসকের কাছে চেকআপের জন্য যাবেন ওজন নেওয়া, রক্তচাপ মাপা, হার্ট ও ফুসফুসের অবস্থা দেখা, রক্তের হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা এসব করাতে হবে এবং সঠিক রেকর্ড রেখে দেখতে হবে মা সঠিক অবস্থানে আছেন কি না।
- চেকআপের সময় জরায়ুর অবস্থা উচ্চতা দেখতে হবে। এটি গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধির পরিমাপ নির্দেশ করে। এছাড় ছয় মাসের পর থেকে ফিটাস (গর্ভস্থ সন্তানের হার্টবিট) শোনাটাও চেকআপের একটি অংশ।
- শেষ চেকআপের সময় পেলভিস এর পরিমাপ নিতে হয়।
- চেকআপের মাধ্যমেই নির্ণয় করা সম্ভব গর্ভবতীর কোন জটিল সমস্যা রয়েছে কি না।
- সাত থেকে আট সপ্তাহের মাঝে জরায়ুর আল্ট্রাসনোগ্রাম করে ভ্রুনের অঙ্গপ্রতঙ্গ সঠিক আছে কি না তা জানা যায়। ৩২ থেকে ৩৩ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করে গর্ভস্থ সন্তান সঠিক অবস্থানে আছে কি না তা জানা যায়।


