শিশুদের বয়সের বিভিন্ন ধাপ এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য
আমাদের দেখা বা জানা অগোচরেই শিশুদের বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে থাকে যা আমরা হয়তো ঠিক ভালোভাবে লক্ষ্য করিনা কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় পর মনে হয়, বাহ! আমার সন্তান এতো বড় হয়ে গেছে! কিংবা এতো কিছু বুঝতে শিখেছে! শিশুদের বিভিন্ন বয়সের চমকপ্রদ কিছু তথ্য জানিয়ে দিচ্ছি আজঃ
১। মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময়েই শিশুর ঘ্রাণশক্তি ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়। গর্ভে ২৮ মাস পার করবার পর আপনি যেসব কিছুর ঘ্রাণ পাচ্ছেন ঠিক সেই ঘ্রাণ গর্ভের সন্তানও পেতে পারে। শিশুর এই ঘ্রাণ শক্তি যে জন্মের আগে থেকেই প্রকাশ পায় তা অনেক বাবা-মায়েরই হয়তো অজানা।
২। শিশুর ওজন এবং উচ্চতা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এর একটি সুক্ষ্ণ হিসেব কাজ করে সব সাধারণ শিশুর ক্ষেত্রেই। এক বছর বয়সে শিশুর ওজন তার জন্মের ওজনের চেয়ে তিনগুন হয়ে থাকে। আর জন্মের পর থেকে এক বা দেড় ইঞ্চি করে প্রতি মাসে বাড়তে পারে।
৩। শিশুরা বুঝতে শেখার আগেই তাকে কে কি বলছে সবকিছু বুঝতে শেখে, এবং এক বছরে মধ্যেই শিশু বেশ ভালোভাবে কথা বলতে শুরু করে। এইসময় শিশুরা তাদের চারপাশের পরিবেশ থেকে বিভিন্ন শব্দ শেখে এবং তা মস্তিষ্কের শব্দভান্ডারে জমা করে।
৪। আরেকটু বড় হলে (দুই থেকে আড়াই বছর বয়স) শিশুদের মাঝে নিজস্বতা তৈরী হয়। শিশুরা নিজের মতো করে ভাবতে, কথা বলতে পছন্দ করে। যেমন জামা-কাপড় কিনে দেওয়ার সময় তাদের নিজেদের পছন্দ প্রকাশ করতে চাওয়া, নিজেদের মতো টিভি চ্যানেল দেখতে চাওয়া ইত্যাদি।
৫। আর স্কুলে যাবার বয়স থেকেই শিশুর মূল সামাজিকতার পাঠ শুরু হয়। কিভাবে কথা বলতে হবে, কিভাবে সবার সাথে ব্যবহার করতে হবে এসব জ্ঞান শিশুরা সাড়ে তিন থেকে চার বছর বয়সের মধ্যের আয়ত্ব করতে পারে।


