শিশুর জীবনের পাঁচটি বড় মাইলস্টোন
শিশুরা জন্মের পর থেকে একেকবার একেকটি জিনিস শেখে আর বাবা-মা সহ পরিবারের সবাই তা নিয়ে মেতে উঠে। প্রত্যেকটি বিষয়েরই নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। যেমন শিশুর আট সপ্তাহের মধ্যে হাসতে শেখে। এমন সাতটি মাইলস্টোন যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনার সন্তান একটু একটু করে বড় হয়ে উঠছে তা সম্পর্কে জেনে নিন আজঃ
- হাসতে শেখাঃ শিশুর তাঁর আড়াই মাস বয়স কিংবা আট সপ্তাহের মধ্যেই হাসতে শেখে। এটিই শিশুর জীবনের সর্বপ্রথম মাইলস্টোন হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। এই প্রথমই শিশু বুঝতে শেখে এবং মানুষের কথার উত্তরে হেসে উত্তর দেয়। তাই শিশুর জন্য এই মাইলস্টোনটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- নিজে গড়াগড়ি খাওয়াঃ দুই থেকে তিন মাস বয়সের মধ্যেই শিশু এই অভ্যাস রপ্ত করতে পারে। এর জন বাবা-মা’কে কিছু শেখাতে হয় না। বরং পর্যাপ্ত জায়গা পেলে এই বয়সের মধ্যেই শিশু শিখে যেতে পারে কি করে নিজের শরীর নিয়ে খেলা করা যায়।
- হাতে কোন কিছু ধরে থাকাঃ শিশুর এক মাস বয়সের পর থেকে যেকোন সময় (তিন থেকে চার মাস) শিশু তাঁর পছন্দের কিছু হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রাখতে শেখে। এই সময়ের মাঝে শিশু নিজের হাতের শক্তি ধারণ করতে সক্ষম হয় এবং তার পছন্দের কিছু হাতে পেলে তা মুঠি করে রাখতে পারে।
- বসতে শেখাঃ শিশু যখন নিজের মেরুদন্ডের উপর সঠিক চাপ নিতে শিখে যায় এবং যথেষ্ঠ শক্তি অর্জন করে তখন থেকেই বসতে পারে। সাধারণত আট মাস বয়সের মধ্যেই শিশু নিজে নিজে কোন প্রকার ভর বা সাপোর্ট ছাড়াই বসতে শিখে যায়।
- দাঁড়ানো থেকে হাঁটতে শেখাঃ ভালোভাবে বসতে শেখার পরপরই শুরু হয় দাঁড়ানো এবং হাঁটা নিয়ে তোড়জোড়। শিশু দশ থেকে আঠারো মাস বয়সের মধ্যেই ভালোভাবে হাঁটতে শিখে যায়। তবে শিশুর বৃদ্ধি কিছুটা দেরীতে হলে এই সময়সীমা কিছুটা বাড়তে পারে।


