শিশুদের মারমুখী মনোভাবঃ কেন এবং কি করা উচিৎ?
অনেক সময় দুই থেকে আড়াই বছর থেকে শুরু হয়ে শিশুদের মধ্যে এক ধরনের মারমুখী মনোভাব দেখতে পাওয়া যায়। নিজের পছন্দমতো কোনকিছু না হলে কিংবা মা-বাবার বিভিন্ন আদেশ উপদেশ এ শিশুরা এই মারমুখী মনোভাব দেখাতে হবে। এছাড়া শিশুরা সমবয়সীদের সাথেও এমন ব্যবহার দেখা দিতে পারে। কি এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে কি করতে পারেন এবং কেন এই সমস্যা হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
শিশুর মারমুখী মনোভাবঃ কেন?
এই সমস্যাটি শিশুদের একটি সহজাত প্রবৃত্তি। প্রত্যেকটি শিশুই এই ধরনের অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে পারে। এবং শিশুকে সঠিকভাবে সময় দিলে এবং যত্ন করে একসময় এটি স্বাভাবিকভাবেই সেরে যায়।
কি করবেন?
শিশুর এই সমস্যার বেশ কিছু প্রতিকার চিকিৎসকেরা বের করেছেন। তা হলোঃ
১। শিশুর এসব ব্যাপারে কখনোই ধৈর্যহারা হওয়া যাবে না। শিশুর প্রতি বিরূপ অবস্থান কোন অবস্থাতেই করা উচিৎ নয়। আর এই ব্যাপারেই সেই একই কথা প্রযোজ্য। শিশুকে যথেষ্ঠ ধৈর্য সহকারে সময় দিন।
২। শিশুকে সাথে নিয়েভাও ব্যবহার কিংবা সুন্দর বন্ধুত্বকে উপজীব্য করে যেসব সিনেমা, গান হয়েছে তা দেখুন। এতে করে সে নিজের ভুল বুঝতে পারবে।
৩। শিশুকে বারবার এক কথা বলে বা এক উপদেশ দিয়ে বিরক্ত করবেন না। বারবার এককথা শিশুকে আরো বেশি জেদি করে তুলতে পারে।
৪। শিশুর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখুন। কোনভাবেই শিশুকে একা রাখবেন না। একাকীত্ব বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে যার মধ্যে এই মারমুখি মনোভাব অন্যতম।
৫। নিজেকে আদর্শ হিসেবে শিশুর সামনে প্রতিষ্ঠা করুন। শিশু যেহেতু তার বেশিরভাগ সময় বাবা-মায়ের সাথেই কাটায়, তাঁদের কাছ থেকেই সব শিক্ষা পায়। তাই শিশুর নিজের ব্যবহার সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে।


