Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Feb 3, 2014 in ছোট্টমনি |

শিশুরও চাই প্রসাধনী

শিশুরও চাই প্রসাধনী

সবার মত শিশুদেরও প্রয়োজন আছে প্রসাধনীর। তবে তা বড়দের প্রসাধনীগুলো থেকে আলাদা। এছাড়াও শিশুর প্রসাধনীর ক্ষেত্রে বেশ কিছু ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করা আবশ্যক। আসুন দেখে নেয়া যাক এক নজরে শিশুর নিত্য ব্যবহার্য কিছু প্রসাধনী বিস্তারিত।

 

(১) সাবানঃ শিশুদের জন্য কম ক্ষারযুক্ত বেবি সোপ ব্যবহার করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত মেডিকেটেড সাবান ব্যবহার করা যাবে না। ফুটানো ঠান্ডা বা হালকা গরম পানি দিয়ে শিশুকে গোসল করালে গোসলের পানিতে ডেটল বা স্যাভলন ইত্যাদি মেশাবার প্রয়োজন নেই।

(২) লোশনঃ লোশন লাগানোর পূর্বে বাচ্চার ত্বক সম্পূর্ণ শুষ্ক হতে হবে। গোস্লের পর বাচ্চার গায়ে বেবি লোশন দিতে হবে এবং সেই সাথে দেহের ভাঁজগুলো যেমন- গলা, বগল, নাক ও নিতম্বের ভাঁজে পাফ দিয়ে বেবি পাউডার লাগিয়ে দেয়া যেতে পারে।

(৩) তেলঃ গোসলের আগে ৩ মাস বয়স থেকে বাচ্চার গায়ে তেল মাখতে পারেন, তবে তা জরুরি নয়। বিশেষ করে শীতকালে গোসলের পর ঝাঁজমুক্ত তেল, যেমন- বেবি অয়েল, অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল (সরিষা বা তিশির তেলে ঝাঁজ থাকে) শিশুর দেহে মাখতে পারেন। সব সময় খুব হালকা করে তেল, লোশন, পাউডার মাখাতে হবে, যাতে ত্বকে বাড়তি তেল, পাউডার ইত্যাদি লেগে না থাকে। মনে রাখবেন বাচ্চার নাকে, চোখে, মুখের ভেতর তেল, লোশন ও পাউডার দেওয়া বিপজ্জনক।

(৪) কাজলঃ বাচ্চার চোখের ভ্রুতে কাজল লাগাতে কোন দোষ নেই বা কোন উপকারও নেই। শিশুর চোখের পাতার ধারে বা চোখের ভেতরের কাজল বা কৃত্রিম সুরমা লাগানো উচিৎ নয়, তাতে চোখের ক্ষতি হয়।