শিশুর বয়সভেদে জ্বর মাপার পদ্ধতি
ছোটবেলা অসুখ বিসুখের কথা বললে যে নামটি সর্বপ্রথমে চলে আসে তা হলো জ্বর। এমন কন মা হয়তো খুঁজে পাওা যাবেনা জিনি অভিযোগ করেন না যা আর সন্তানের প্রায়ই জ্বর হয়। শিশুর বয়সভেদে জ্বর মাপার পদ্ধতিতেও রয়েছে প্রকারভেদ। এ নিয়ে কিছু কথা চলুন জেনে আসি আজঃ
সাধারণত কপালে হাত দিলেই বোঝা যায় আপনার সন্তান জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে কি না। তবুও নিশ্চিত হবার জন্য থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপে দেখতে হয় শিশুর জ্বরের মাত্রা কতটা। থার্মোমিটারের নিন্মলিখিত তাপমাত্রা শিশুর জ্বর আছে বলে নির্দেশ করে।
- পায়ুপথে ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট ( ৩৮ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)
- মুখে- ৯৯.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট (৩৭.৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)
- বগলে- ৯৯ ডিগ্রী ফারেনহাইট ( ৩৭.২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)
জ্বর মাপার পদ্ধতিঃ
শিশুর বয়সভেদে জ্বর মাপার পদ্ধতিও ভিন্ন হয়ে থাকে। তিন মাসের নিচের শিশুদের মুখে বা বগলে জ্বর মাপা সম্ভব হয়না। তাই পায়ুপথে জ্বর মাপাই একমাত্র ভরসা। তিন থেকে চার বছর বয়সের মধ্যে বগলে করে জ্বর পরিমাপ করা সম্ভব হয়। আর চার বছরের উর্ধ্বের শিশুদের জন্য শিশু সহযোগীতা করলে মুখের ভিতরে থার্মোমিটার রেখে মাপা যায়।
থার্মোমিটার সংক্রান্ত কিছু কথাঃ
- পায়ুপথে তাপমাত্রা মাপার জন্য লুব্রিকেন্ট পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে নিতে হবে আগে। এরপর আধা ইঞ্চি থেকে এক ইঞ্চি পর্যন্ত ঢুকিয়ে জ্বর পরিমাপ করতে হবে।
- মুখে তাপমাত্রা নেওয়ার ৩০ মিনিট আগে থেকে শিশু যাতে কোন কিছু না খায় কিংবা কোন কিছু না পান করে সেদিকে নজর রাখতে হবে। এতে তাপমত্রা পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
- বগলের তাপমাত্রা পায়ুপথ বা মুখের মত সঠিক ফল প্রদর্শন করেনা। এক্ষেত্রে শিশুর বগলের ত্বক থার্মোমিটারের সাথে সঠিক সংস্পর্শে পৌছেছে কিনা সেদিকে নজর রাখতে হবে।
- থার্মোমিটার লাগিয়ে শিশুকে কখনোই ফেলে রেখে যাবেন না।
গোসলের পরপর শিশুর তাপমাত্রা মাপবেন না।


