শিশুর কৃমির সমস্যাঃ বাবা মায়ের করণীয়
আমাদের দেশের সবাই প্রায় কমবেশি কৃমির সংক্রমণের সাথে পরিচিত। শিশুরদের মাঝে এটি আরো বেশি আকারে হতে দেখা যায় যেহেতু শিশুরা নিজেদের যত্ন সঠিকভাবে নিতে পারে না। তাই বাবা-মা কিছুটা অসচেতন হলেই এই সমস্যা হতে দেখা যায়। তাই এ ব্যাপারে সচেতন এবং যত্নশীল হলেই কৃমির সংক্রমণ এড়ানো যেতে পারে। তবুও কৃমির সংক্রমণ এবং তা থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে কিছু সাধারণ ব্যাপার জেনে নিন আজঃ
কি করে বুঝবেন শিশুর কৃমির সংক্রমণ হয়েছে?
যেসব লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে শিশু কৃমির সমস্যায় আক্রান্ত সেগুলো হলোঃ
১। শিশুর মল বা বমির সাথে যদি কেচ কৃমি বের হয়,
২। শিশু যদি রাতে মলদ্বারে বারবার চুলকায় ,
৩। শিশুর পেট ব্যাথা কিংবা হজমে সমস্যা হলে।
এসব লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে যে আপনার সন্তান কৃমির সমস্যা আক্রান্ত। তবু একেবারে নিশ্চিত হবার জন্য মল পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে। তারপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সন্তানকে ওষুধ দিতে হবে।
কৃমি প্রতিরোধের উপায়ঃ
আপনার সন্তান ও পুরো পরিবারের জন্য কৃমির সুরক্ষায় যেসব পন্থা অবলম্বন করতে হবে সেগুলো হলোঃ
- মলত্যাগের পর, খাওয়ার আগে, পরে ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
- নিয়নিত গোসল করা, জামা কাপড় পরিষ্কার করা এক্ষেত্রে এক্কান্ত কর্তব্য।
- সময়মতো নিয়ম করে সপ্তাহে একদিন নখ কাটতে হবে।
- শিশু যাতে মলদ্বার খোলা হাতে না চুলকায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তা নাহলে সংক্রমণ আরো বেশি বেড়ে যেতে পারে।
- আধা সিদ্ধ বা অসিদ্ধ মাংস শিশুকে কোনভাবেই খেতে দেওয়া যাবে না।
- শিশুকে ফোটানো পানি পান করানো বা ব্যবহারের ব্যাপারে যথাসম্ভব সতর্ক থাকতে হবে।


