Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Aug 19, 2014 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল |

ছেলে ও মেয়ে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির পার্থক্যের কিছু ধাপ

ছেলে ও মেয়ে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির পার্থক্যের কিছু ধাপ

সাধারণত দেড় থেকে দুই বছর বয়সের মাঝে শিশুরা নিজেদের লিঙ্গ বা পরিচয় সম্পর্কে বুঝতে ও জানতে পারে। আর দুই থেকে ছয় বছর বয়স পর্যন্ত নিজেদের শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন পার্থক্যের ব্যাপারে বুঝতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই প্রাকৃতিক নিয়মে ছেলে ও মেয়ে শিশুদের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনেক রকম পার্থক্য দেখা যায়। অনেকেই আবার ভিন্ন লিঙ্গ’র শিশুদের মধ্যে তুলনা করতে যেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এইরকম কিছু পার্থক্য সম্পর্কেই আজ জেনে নেওয়া যাকঃ

  • একটা সময় পর্যন্ত ছেলে ও মেয়েদের শারীরিক বৃদ্ধির হার একরকমই থাকে। প্রাক-স্কুল সময় পর্যন্ত ব্যাপারটি এমন থাকলেও এরপর থেকে মেয়েদের বৃদ্ধি ছেলেদের তুলনায় তাড়াতাড়ি হয়ে থাকে।
  • গড় হিসেবে ছেলেরা দৌড়ানো, লাফানো সহ বিভিন্ন শারীরিক কসরত মেয়েদের তুলনায় আগে রপ্ত করতে পারে, অন্যদিকে শিল্পকলা মতো দিকগুলোতে যেমন রান্না-বান্না, পেইন্টিং, চারুকলা এসব দিকে নেয়েদের মস্তিষ্ক বেশি কাজ করে। ঝুঁকি বা ভয়ের কাজগুলো মেয়ে শিশুদের চেয়ে ছেলে শিশুরাই বেশি পছন্দ করে।
  • কথা বলার ক্ষেত্রে ছেলে শিশুরা মেয়েদের তুলনায় কিছুটা দেরীতেই কথা বলতে ও বুঝতে শেখে। এছাড়াও মেয়ে শিশুরা বিভিন্ন ভাষা বিহীন অনুভূতি প্রকাশ, মুখভঙ্গি,শব্দ তৈরি ইত্যাদি ছেলেদের তুলনায় একটু আগেভাগেই শিখে থাকে। আপনি যদি আপনার সন্তানকে বই পড়ে শোনান লক্ষ্য করলে দেখা যাবে আপনার মেয়ে সন্তানের খেয়াল গল্পের চরিত্রের আবেগের প্রতি আর ছেলে শিশুদের লক্ষ্য গল্পের চরিত্র কি করছে সেটি দেখা। যোগাযোগ তৈরির ক্ষেত্রে বয়সের দিক দিয়ে ছেলেদের তুলনায় মেয়ে শিশুরা বেশ এগিয়েই থাকে।
  •  ছেলে শিশুদের তুলনায় আপনি আপনার মেয়ে শিশুকে সহজেই বাথরুমের বিষয়, না বুঝে বিছানা ভেজানোর ব্যাপারগুলো তাড়াতাড়ি বুঝিয়ে বলতে পারবেন। এছাড়াও সামাজিকতার বিভিন্ন নিয়মগুলো মেয়ে শিশুরাই তাড়াতাড়ি ধরতে পারে।

ছেলে শিশুদের বা মেয়ে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক উন্নতির উপরোক্ত দিকগুলো বজায় থাকলে আপনার এনিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই।