শিশুর ডায়পার র্যাশঃ প্রতিরোধের ১০টি উপায়
ছোট্ট শিশুর ডায়পার র্যাশ নিয়ে আগেই নানা রকম কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে শিশুর ডায়পার র্যাশের বিভিন্ন কারণের কথাও। কিন্তু কি করে শিশুকে এইসব ডায়পার র্যাশ সহ অন্যান্য চর্মরোগ থেকে রক্ষা করতে পারবেন? চলুন প্রতিরোধের দশটি উপায় জেনে নেওয়া যাকঃ
র্যাশ প্রতিরোধের উপায়ঃ
১। শিশুর ত্বককে সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন। নির্দিষ্ট সময় পর পর শিশুর ডায়পার পরিবর্তনের ব্যাপারে সচেষ্ট থাকুন।
২। প্রত্যেকবার ডায়পার পরিবর্তনের সময় শিশুর ডায়পার পরিবর্তনের স্থান পরিষ্কার করে নিন। কোন রকমের ময়লা যাতে শিশুর শরীরে না লেগে থাকে। হালকা গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে ডায়পার পরানোর স্থানে কোন ইনফেকশন হবে না।
৩। শিশুর ত্বক নিয়ে খুব বেশি ঘষাঘষি করবেন না।
৪। শিশুর ডায়পার কখনো লুজ করে পরাবেন না, এতে মল মূত্র শিশুর ত্বকে লেগে গিয়ে ইনফেকশন হতে পারে। ভালোভাবে শিশুর শরীরের সাথে আঁটসাঁট হয় এমন ডায়পার ব্যবহার করুন। তবে শিশুর শরীরে যাতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে তা নিশ্চিত করুন।
৫। যতক্ষণ সম্ভব আপনার সন্তানকে ডায়পার বিহীন অবস্থায় রাখুন, শিশুর শরীরে ভালোভাবে যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
৬। শিশুর শরীরে র্যাশ দেখার সাথে সাথে ত্বকের উপযোগী কোন অয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে দিন যাতে তা আর না বাড়তে পারে।
৭। শিশুর ত্বক শুকনো থাকে এমন ব্যবস্থা করে রাখুন। দরকার হলে এর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।
৮। ট্যালকম পাউডার ব্যবহার শিশুর জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হতে পারে। ট্যালকম পাউডারের বদলে কর্ণ স্টার্চের পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে পাউডার নিজের হাতে মেখে নিয়ে তারপর সাবধানে শিশুর ত্বকে আলতোভাবে মেখে নিন।
৯। শিশুকে মায়ের দুধের সাথে অন্যান্য খাবার খাওয়ানোর ব্যপারে সময় নিয়ে একটি একটি করে খাবারের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিন আর অন্য একটি খাবার খাওয়ানোর আগে দেখে নিন ওই খাবারে শিশুর কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা কিংবা এলার্জি হচ্ছে কি না।
১০। শিশুকে যত বেশিদিন সম্ভব ততদিন বুকের দুধ খাওয়ান। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বুকের দুধ শিশুকে কোন এন্টিবায়োটিক ছাড়াই ইনফেকশন থেকে দূরে রাখে কিংবা রক্ষা করে।


