শিশুর প্রথম খাবারঃ কোন খাবারগুলো জরুরী
ছয় মাস বয়সের পর থেকে নানা রকম খাবারের সাথে শিশুর পরিচয় করিয়ে দেবার পর্ব শুরু হয়। শিশুর খাবার বাছাইয়ের বেলায় বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে মায়ের খেয়াল রাখা উচিৎ। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা, শিশুর সাথে বিভিন্ন রঙের, স্বাদের খাবারের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং শিশুর শরীরের বৃদ্ধি সঠিকভাবে বজায় রাখা। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির এই পর্যায়ে যেসব খাবারগুলো আপনি প্রথম ধাপেই শিশুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পারেন সেগুলো নিয়েই আজকের হাঁটিহাঁটিপা’র আয়োজন।
- ডিমঃ শিশুর জন্য “পারফেক্ট ফার্স্ট ফুড” বলতে যা বোঝায় ডিম ঠিক সেটিই। আইয়রন, ফলেট, প্রোটিন, ভিটামিন এ,ডি, ই সহ অনেক পুষতিকর উপাদানে ভরপুর ডিম শিশুর প্রথম দিককার খাবারের তালিকায় রাখতে পারনে নিয়মিত। এছাড়া ডিম শিশুর জন্য সহজপাচ্যও বটে।
- বাটারঃ ব্রেইন ও নার্ভ সিস্টেম বিকাশে এই খাবারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া শিশুর দেহ গঠন এবং ত্বক সুন্দর রাখতেও মাখন বা বাটারের ভূমিকা অপরিহার্য। তাই প্রথম দিকের খাবারের তালিকায় নির্দ্বিধায়
- শিমের বিচি এবং ডালঃ প্রোটিন, আয়রন,জিঙ্ক,ম্যাঙ্গানিজ এর গুরুত্বপূর্ণ উৎস এই খাবারগুলো। শিশুর জন্য ডাল কিংবা শিমের বিচি সহজপাচ্য করে তৈরি করতে অনেকক্ষন ভিজিয়ে রেখে নরম করে রাখতে পারেন।
- বিভিন্ন মশলাঃ শিশুকে অনেক মা বিভিন্ন খাবারের সংমিশ্রনে খিচুরী তৈরি করে খাওয়ান যা নিঃসন্দেহে শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর এবং উপকারী। মাঝে মাঝে এই খাবারে কিছুটা মশলা ব্যবহার করে শিশুর স্বাদ ইন্দিয়কে আরেকটু ভালো করে তুলতে পারেন।
- মাছ-মাংসঃ শিশুকে বিভিন্ন রকমের মাছ-মাংসের সাথে প্রথম থেকেই পরিচয় করিয়ে দিন যদি না শিশুর এ বিষয়ে কোন প্রকার এলার্জি না থাকে।
- দইঃ শিশুর বৃদ্ধির বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার হলো দই। দই শিশু সহজেই খেতে পারে এবং শিশুর স্বাদ বৃদ্ধি, পুষ্টি দুটিতেই দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে।


