Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Mar 30, 2015 in ছোট্টমনির প্রথম |

শিশুর নাভি কাটার পদ্বতি এবং পরবর্তী পরিচর্যা

শিশুর নাভি কাটার পদ্বতি এবং পরবর্তী পরিচর্যা

মাতৃগর্ভে থাকার পুরো সময়টুকু শিশুর মায়ের সাথে যোগাযোগ থাকে নাভিগ্রন্থির মাধ্যমে। মায়ের শরীর থেকে খাদ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এসব কিছুই শিশু গ্রহণ করে থাকে নাভিগ্রন্থির মাধ্যমে। আর জন্মের পর মায়ের কাছ থেকে সন্তানকে বিচ্ছিন্নও করা হয় নাড়ি কাটার মাধ্যমেই। এই নাভিগ্রন্থি কাটার জন্য রয়েছে বিজ্ঞানসম্মত এবং সঠিক পদ্বতি যা সঠিকভাবে না কাটলে নাভিমূল থেকে শিশুর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা থাকে। তাই শিশুর জন্মের পর সঠিকভাবে নাভি কাটার পদ্বতি এবং নাভির পরিচর্যা সম্পর্কে জেনে নিন আজঃ

১। পরিষ্কার, জীবাণুমুক্ত সুতা কিংবা ফিতা দিয়ে নাভিগ্রন্থিটি পেট থেকে যথাক্রমে চার ও ছয় ইঞ্চি উপরে বাঁধতে হবে।

২। এরপর দুটি বাধনের মাঝে জীবাণুমুক্ত, পানিতে ফুটিয়ে নেওয়া ব্লেড বা সিজার দিয়ে নাভিগ্রন্থি কাটতে হবে।

৩। কাটার পর নাভিগ্রন্থির উপর জীবাণুনাশক ওষুধ লাগাতে হবে।

৪। সদ্য কাঁটা নাভির উপর খুব সহজেই জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে, তাই শিশু যেখানে থাকবে তার পরিবেশ যাতে পরিষ্কার, ধুলোবালিমুক্ত থাকে সেদিকে নজর দিতে হবে। মাছি যাতে কোনভাবে নাভিস্থানে না বসতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে।

নাভির পরিচর্যাঃ  

১। নাভি কাটার পর প্রতিদিন নিয়ম করে জীবাণুনাশক দিয়ে নাভি পরিষ্কার করতে হবে।  তবে কোনরকম পাউডার জাতীয় কিছু নাভিতে লাগাবেন না।

২। জন্মের পর লক্ষ্য রাখতে হবে যে নাভি থেকে রক্তপাত হচ্ছে না কি। কারণ নাভি বন্ধনী ঢিলে হলে অনেক সময় রক্তক্ষরণ হতে পারে। এই সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৩। নাভির উপরের মুখ সাধারণত সাত থেকে দশ দিনের মধ্যেই খসে পড়ে। এবং এরপরেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়্যে যায়। এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম দেখা দিলে কিংবা ইনফেকশন দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৪। শিশুকে গোসল করানোর সময় নাভিমূল ঢেকে রাখতে হবে। তা নাহলে গোসলের পানি নাভিমূলে প্রবেশ করে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে।