প্রিম্যাচিউর শিশুদের বাড়িতে নেবার পূর্বে করণীয় বিষয়সমূহ
গর্ভকালের ৩৭ তম সপ্তাহের পর শিশু ভূমিষ্ঠ হলে তাকে পূর্ণাঙ্গ শিশু বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় মায়ের শারীরিক কোন সমস্যা, গর্ভকালীন জটিলতা কিংবা শিশুর কোন সমস্যা থাকলে তার আগেই শিশুর জন্মের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে শিশুদের অভিহিত করা হয় প্রিম্যাচিউর বেবি নামে।
প্রিম্যাচিউর বেবিদের ব্যাপারে সবসময়ই খুব সচেতন থাকতে হয়। কারণ তাদের শরীর এতটাই সংবেদনশীল হয় যে, যে কোন কিছুতেই বড় কিছু সমস্যা হয়ে যেতে পারে। এছাড়া এইসময় শিশুদের ইনফেকশনের প্রচন্ড ভয় থাকে। তাই চিকিৎসকেরা সাধারণত এই সময়টা শিশুদের বেশ কিছুটা সময় নিবিড় পর্যবেক্ষনের মধ্যে রাখেন। চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করেই তাই এসব শিশুকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবতে হয়। নিন্মলিখিত বিষয়গুলো আপনাকে এ ব্যাপারে সবুজ সংকেত পেতে সাহায্য করতে পারেঃ
- শিশু তাঁর প্রয়োজনীয় খাবার নিজের মুখে খেতে পারছে।
- শিশুর নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন ১০-২০ গ্রাম ওজন বাড়ছে।
- শিশুর চোখের কোন সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। কারন প্রিম্যাচিউর বেবিদের অনেক সময় একটা অক্সিজেন দিতে হয় বলে চোখের কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়।
- শিশুর কানে শোনা যথাযথ আছে কিনা তা নির্ণয় করে নেওয়া।
- শিশুর মোট ওজন ১৯০০-২১০০ গ্রাম বা তার বেশি।
- শিশুর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে।
- শিশুর রক্তচাপ, হৃদযন্ত্রের গতি সব স্বাভাবিক রয়েছে।
এসব লক্ষণ থাকলে বুঝতে হবে আপনার প্রিম্যাচিউর বেবি এখন অনেকটাই সুস্থ আছে এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া যাবে।


