শিশুর পরিপূরক খাবার তৈরি করার উপাদান ও নিয়মাবলী
শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার দেয়ার সময় দ্বৈতমিশ্র খাবার দিয়ে শুরু করতে হবে। এই দ্বৈতমিশ্র পরিপূরক খাবারে কেবল ২ টি উপাদান থাকবে, যেমনঃ যথাক্রমে শস্য জাতীয় খাদ্যের সঙ্গে ডাল অথবা প্রানীজ আমিষ কিংবা গাঢ় সবুজ শাক-সব্জি মিশিয়ে তৈরি করা যায়। শস্য এবং ডাল জাতীয় খাদ্যের মিশ্রণ ৩:১ অনুপাতে প্রস্তুত করা যেতে পারে। তারপর আস্তে আস্তে বাচ্চাকে অধিমিশ্র খাবারে অভ্যস্ত করতে হবে যাতে শস্য, ডাল জাতীয় খাদ্যের সঙ্গে প্রাণীজ আমিষ সমন্বয়ে তৈরি করা যায়। শিশুর বয়স ২ বছর পূর্ণ হলে সে বড়দের জন্য তৈরি সব রকম খাবারই খেতে পারে। নিম্নলিখিত দ্বৈতমিশ্র খাবার দিয়ে পরিপূরক খাবারের চাহিদা মেটানো যায়ঃ
(১) কম তেল, মসলা সহযোগে চাল, ডালের খিচুড়ি (সাথে মৌসুমী শাক-সব্জি দেয়া যেতে পারে)।
(২) দুধ দিয়ে রান্না করা সুজি।
(৩) ভাতের সাথে সিদ্ধ বা অর্ধ সিদ্ধ ডিম।
(৪) সিদ্ধ আলুর সাথে ডাল চটকানো।
(৫) তাজা ফল ও ফলের রস, যেমনঃ কলা, কমলা, আম, আনারস, জাম্বুরা।
(৬) শিম, মটরশুটি, বরবটি, ফুলকপি ও অন্যান্য শাক-সব্জি সিদ্ধ করে চটকানো।
(৭) ভাত ও খুব কুচি করে কাটা কম মশলায় রান্না মাংস।
(৮) ডাল বা দুধে ভিজানো আটার রুটি।
(৯) বিভিন্ন কোম্পানি কর্তৃক বাজারজাতকৃত ইনফ্যান্ট সিরিয়াল।


