Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Mar 8, 2014 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল, হাটি হাটি পা |

ফর্মুলা খাবারের সুবিধা-অসুবিধা

ফর্মুলা খাবারের সুবিধা-অসুবিধা

বেশিরভাগ ফর্মুলা গরুর দুধ অথবা তার বিভিন্ন রূপান্তরের সাহায্যে তৈরি করা হয়। তবে যেসব শিশু গাভীর দুধ সহ্য করতে পারে না সেসব ক্ষেত্রে অন্যান্য দুধ ও দুগ্ধজাত ফর্মুলা শিশুর জন্য ব্যবহার করা হয়। জীবাণুমুক্তকরণ ও শীতলকরণ প্রক্রিয়ার ফলে ফর্মুলা খাবারজনিত পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন ইনফেকশনে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বহুগুণ হ্রাস পেয়েছে। তদুপরি দুধের সম্পূর্ণ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যার মধ্যে শিশুকে দুধ পানের পূর্বে ঘরে জ্বাল দেওয়া হতে শুরু করে বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে পাস্তুরাইজেশন, বাষ্পীকরণ প্রভৃতির সাহায্যে দুধের ‘কেসিন’ নামক অংশটি পরিবর্তিত হয়, ফলে তা শিশুর পাকস্থলিতে সহজপাচ্যতা লাভ করে। সাথে গাভীর দুধের প্রোটিন অংশটি হজমের প্রধান বাধা অপসারিত হয়।

 

বাণিজ্যিকভাবে উৎপন্ন শিশুর ফর্মুলা খাবার শুধুমাত্র গাভীর দুধের তৈরি বাজারজাত খাদ্যের চেয়ে ভিন্নতর। বিশেষ করে ফর্মুলা দুধের প্রোটিন, ঘনত্ব বুকের দুধের কাছাকাছি রাখা যায় বলে তা শিশুর কিডনির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে না। শিশুর  ফর্মুলা খাবারগুলোতে গাভীর দুধের তুলনায় ভেজিটেবল উৎসারিত নিরাপদ ফ্যাটি এসিড ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগ করা হয়। গরুর দুধে বুকের দুধের চাইতে ল্যাকটোজের মাত্রা কম থাকে। কোনো কোনো ফর্মুলা খাবারে বুকের দুধের সাথে মিল রেখে হজমের অনুপোযোগী ‘কেসিন’ এর ভাগ কমানো হয় ও ‘সিসটিন’ নামক অকালজাত নবজাতকের জন্য অতি প্রয়োজনীয় প্রোটিন যুক্ত করা হয়।