Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Feb 28, 2014 in গর্ভধারণ, গর্ভবতী মা, জেনে রাখা ভাল |

সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে কিছু কথা

সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে কিছু কথা

জরায়ুর যে অংশ যোনিগহবর পর্যন্ত বিস্তৃত তাই হলো জরায়ুগ্রীবা বা ‘সার্ভিক্স’। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) দিয়ে অটল সংক্রমন সার্ভাইক্যাল ক্যান্সারের একটি বড় ঝুঁকি। রুটিন স্ক্রিনিং করলে এর সন্ধান পাওয়া যায় আগে ভাগে, আর তখন নিরাময়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। আবার সার্ভিক্সে অস্বাভাবিক ক্যান্সার পূর্ব কোষের উপস্থিতি খুঁজে পেলেও ক্যান্সারে রূপান্তরিত হবার আগেই তা সরিয়ে ফেলা সম্ভব।

 

সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার টেস্ট করার জন্য ডাক্তাররা যে সহজ পরীক্ষা করেন এর নাম হলো ‘প্যাপ টেস্ট’। ডাক্তার জরায়ুর ভেতর সার্ভিক্স থেকে নমুনা সংগ্রহ করে থাকেন। এরপর ল্যাবে পরীক্ষা করেন, ক্যান্সার পূর্ব কোষ বা ক্যান্সার আছে কিনা। একুশ বছর থেকেই এই স্ক্রিনিং শুরু করা উচিৎ।

 

সার্ভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকাঃ

এফ. ডি. এ. অনুমোদিত টিকা হলো ‘গার্ডাসিল’, ৯ থেকে ২৬ বছর পর্যন্ত মেয়েদের জন্য। এই টিকা দিলে চার প্রজাতির এইচ. পি. ভি. এর (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস) বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। আর এই ভাইরাসটি হলো সার্ভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রধান কারন।