Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jan 25, 2014 in গর্ভবতী মা, জেনে রাখা ভাল |

গর্ভকালীন পরিচর্যা বা এন্টিনেটাল চেক-আপ

গর্ভকালীন পরিচর্যা বা এন্টিনেটাল চেক-আপ

গর্ভাবস্থায় একজন নারী মা হবার আনন্দে যেমন বিভোর থাকেন ঠিক তেমনি আবার নানান বিপদের কথা ভেবে থাকের শঙ্কিত। সকল গর্ভাবস্থাই আপেক্ষিক ঝুঁকিপূর্ণ অর্থাৎ ঝুঁকির পরিমাণ কম আর বেশি। তাই নিরাপদে মা হবার জন্য পেটে সন্তান এসেছে বুঝা মাত্র গর্ভকালীন পরিচর্যা শুরু করতে হবে। গর্ভকালীন পুরো সময় থেকে প্রসবের পরও কিছুদিন নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 

গর্ভাবস্থায় কখন ও কতবার ডাক্তারের কাছে যেতে হবেঃ

(১) প্রথম ভিজিট পেটে সন্তান এসেছে বুঝামাত্র বা মাসিক বন্ধ হবার দুই মাসের মধ্যে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তারপর থেকে ৭ মাস (২৮ সপ্তাহ) পর্যন্ত প্রতি মাসে একবার।

(২) ৭ থেকে ৯ মাস (৩৬ সপ্তাহ) পর্যন্ত প্রতি মাসে দুই বার।

(৩) ৯ মাস থেকে বাচ্চা প্রসব না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্ততঃ একবার ভিজিট করতে হবে।

(৪) যদি নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাবার পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকে তবে ন্যূনতম চারটা ভিজিট করতে হবে। এই ৪ টি ভিজিটের প্রথম তিন মাসের মধ্যে প্রথমটি, দ্বিতীয়টি দ্বিতীয় তিন মাসের মধ্যে এবং তৃতীয় ও ৪র্থটি শেষ তিন মাসের মধ্যে হতে হবে। তবে গর্ভবতীর যদি অন্য কোন সমস্যা থাকে তবে আরো ঘন ঘন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

 

গর্ভকালীন পরিচর্যাঃ

গর্ভকালীন পরিচর্যার মাধ্যমে গর্ভধারণ, প্রসব ও পরবর্তী অনেক বিপদ এড়ানো সম্ভব এবং নিরাপদ প্রসব ও স্বাস্থ্যবান সন্তান লাভ নিশ্চিত করা যেতে পারে। চিকিৎসক গর্ভের ঝুঁকি নির্ধারণ করেন বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ (ইতিহাস) ও শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে। গর্ভবতীর উচ্চতা, ওজন, রক্তশুন্যতা ও রক্তচাপ রেকর্ড করা হয়। তারপর কিছু প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। যেমনঃ রক্তের হিমোগ্লোবিন, গ্রুপিং এবং Rh টাইপিং, রক্তের সুগার, ভি. ডি. আর. এল এবং প্রসাবের নিয়মিত ও আণুবীক্ষণিক পরীক্ষা।

গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত ডাক্তারের কাছে প্রতি ভিজিটগুলোতে নতুন কোন উপসর্গ, জরায়ুর উচ্চতা মেপে বাচ্চার বৃদ্ধি অনুমান করা হয়, জরায়ুতে বাচ্চার অবস্থান ও বাচ্চার হৃদস্পন্দন অনুভব করা হয়। এসময় গুলোতে বেশ কয়েকবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়ে থাকে।

 

কৃতজ্ঞতাঃ শিশুর যত্ন ও স্বাস্থ্য সমস্যা