শিশুর শ্বাস আটকে যাওয়া
এই রোগে শিশু রাগান্বিত অবস্থায় চিৎকার করে কেঁদে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ করে রাখে। শ্বাস আবদ্ধতা অনেকক্ষণ স্থায়ী হলে অক্সিজেনের অভাব ঘটে, ফলে শিশু নীল বর্ণ হয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। অনেক সময় শিশুর খিঁচুনি হতে পারে এবং অনেক সময় হাত পা নরম থলথলে হয়ে যায়। সন্তানের এ অবস্থা দেখে মা-বাবা অত্যন্ত ঘাবড়ে যান, কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন। আপাতঃ দৃষ্টিতে মারাত্মক এই শ্বাস আটকে এক্সাওয়া বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে সেরে যায়।
এ অবস্থায় যা করনীয়ঃ
(১) শিশুর শ্বাস আটকে গেলে মুখমন্ডলে পানি ছিটানো উচিৎ না।
(২) পানি খাওয়ানো যাবে না।
(৩) উপুড় করে শোয়ানো যাবে না।
(৪) দেহ থেকে মাথা কিছুটা নিচে রাখতে হবে।
(৫) মুখমন্ডল একপাশে কাৎ করে রাখতে হবে।
শ্বাস আটকে যাওয়া রোগটির সঠিক কোনো কারন জানা যায়নি। সাধারনত ৩ মাস থেকে ৫ বছর বয়সে এই রোগটি হয়ে থাকে এবং ৫-৬ বছরের মধ্যে এই রোগ এমনিতেই সেরে যায়। শিশু অসহায় ও নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে, পিতা-মাতার অত্যাধিক কড়া শাসনে থাকলে এবং শিশূ বইরীভাবে রাগান্বিত হলে শ্বাস আটকে যাওয়া বেশি হয়ে থাকে। যেসব কারনে শ্বাস শিশুদের শ্বাস আটকে যায়, যতটুকু সম্ভব তার সমাধান করতে হবে।


