Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Mar 14, 2014 in জেনে রাখা ভাল, স্কুলের পথে, হাটি হাটি পা |

কৃমি নিয়ে যত ভুল ধারণা

কৃমি নিয়ে যত ভুল ধারণা

কৃমি ছোট, বড় সবার জন্য ক্ষতিকর হলেও শিশুরাই বেশি এর আক্রমণের শিকার হয়ে থাকে। এই কৃমি নিয়ে আছে আমাদের অনেক ভুল ধারনা। জেনে নেয়া যাক সেই সব ভুল ধারনাগুলো। আর সাথে সাথে এর সঠিক ব্যাখ্যা।

 

(১) পেটে দুই-চারটা কৃমি থাকা ভাল, পেটে কিছু কৃমি না থাকে খাবার হজম হয় না, অনেকে এসব ধারণা পোষণ করে থাকে। প্রকৃত সত্য হলো, কৃমি শরীরের শত্রু, এরা দেহের খাদ্য-পুষ্টি-রক্ত শোষণ করে নেয়। কোন অবস্থাতেই শিশুপেটে একটি কৃমিও রাখা চলবে না।

 

(২) অত্যধিক মিষ্টি, চিনি ও বেশি রাতে মাছ খেলে পেটে কৃমি হয়, এমন বিশ্বাস আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত। কিন্তু এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। কৃমি হলো এক প্রকার পরজীবী প্রানী। যা খাবার, পানির মাধ্যমে বা পায়ের পাতা ভেদ করে দেহে প্রবেশ করে। অন্যদিকে মিষ্টি হলো, এক ধরনের কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার। সুতরাং অত্যধিক মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে দেহে কৃমি হওয়া বা কৃমি বাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। আসল ঘটনা হলো, যেসব শিশু মিষ্টি খেতে বেশি ভালবাসে তারা সুযোগ পেলেই খোলা বাজারের তৈরি চকোলেট, লজেন্স খেয়ে ফেলে এবং এভাবে অপরিচ্ছন্ন খাবারের সঙ্গে কৃমির ডিম বা লার্ভা সহজেই দেহে প্রবেশ করে।

 

(৩) কালমেঘ বা চিরতার পানি, অর্থাৎ তেতো খেলে কৃমি মরে যায়। এমন অনেকেই ভেবে থাকেন। কালমেঘ বা চিরতার অন্য ভেষজ গুণ থাকলেও কৃমি মরার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি।

 

(৪) কৃমির ঔষুধ ঠান্ডা বা বৃষ্টির দিনে খাওয়াতে হয়, কিংবা মেঘলা বা গরমের দিনে খাওয়াতে নেই। এই ধারণাও অনেকের মধ্যে দেখা যায়। এসবের কোনো ভিত্তি নেই। আজকাল যেসব কৃমিনাশক ঔষুধ বাজারে পাওয়া যায় তাদের সবগুলোই মোটামুটি নিরাপদ।