শিশুর ওষুধপত্র খাওয়ানো নিয়ে সাবধানতা
সেই ছোট্টটি থেকে সন্তানের চার/পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত বাবা মায়ের নিত্যসঙ্গী সেই এক জিনিস। সন্তানের নানা রকমের অষুধপত্র। আজ জ্বর আর কাল ঠান্ডা, নয়তো এলার্জি এক্টার পর একটা সমস্যা পিছনে লেগেই আছে, আর সেই সঙ্গে রয়েছে নানা রকমের ওষুধপত্র। কিন্তু না জেনে বুঝে শুধু ওষুধ খাওয়ালেই তো চলবেনা। মেনে চলতে হবে সাবধানতার কিছু পন্থা। আসুন জেনে নেই শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর ব্যপারে যেসব ব্যপারে সাবধান হতে হবে সে ব্যপারে কিছু কথা-
• শিশুকে ওষুধ খাওয়ানোর আগে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে নিশ্চিন্ত হোন এই ওষুধের কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা। আর সেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আপনার সন্তানের কোন উপর কোন প্রভাব ফেলবে কিনা। এব্যপারে ভালোভাবে জেনে নিন চিকিৎসকের কাছ থেকে।
• ওষুধ কেনার সময় ব্যবহারবিধি সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। এবং কিভাবে কোথায় ওষুধটি সংরক্ষন করতে হবে সে ব্যপারেও জেনে নিন।
• সাধারনত শূন্য থেকে এক বছর পর্যন্ত শিশুদের ওষুধ খাওয়াতে ড্রপ ব্যবহার করা হয়। খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন ড্রপে ওষুধের মাত্রা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে পড়ে। কোনভাবেই যাতে কম বেশি না হয়।
• কিছু কিছু ওষুধ রয়েছে যা শিশুর ওজনের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হওয়া থাকে। তাই শিশুর ওজন সম্পর্কে নিজে সর্বদা অবহিত হোন, আপনার চিকিৎসককেও অবহিত করুন।
• কখনোই নিজের সিদ্ধান্তে সন্তানের ওষুধ বা ওষুধের ডোজ পরিবর্তন করবেননা। ওষুধে কাজ না করলে কিংবা শিশুর সমস্যা বেড়ে গেলে চিকিৎসকের কাছে যান। ভুলেও নিজের কারিগরি দেখাবেননা।
• আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়,অন্য কোন শিশুর ওষুধ বা প্রেস্ক্রিপশন নিজের সন্তানের উপর প্রয়োগ করবেননা। প্রত্যেক শিশুই বিভিন্ন বৈশিষ্টের দিক থেকে আলাদা হয়। এরকম কিছু আপনার সন্তানের শরীরে মারাত্বক বিপর্যয় আনতে পারে।
আশা করি আপনি আপনার সন্তানের ওষুধের ব্যপারে উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হবেন আর সন্তানের সুস্থ ভবিষ্যত গঠনে সচেষ্ট হবেন।


