মিসক্যারিজ বিষয়ে নানা কথা
গর্ভপাত, সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়া কিংবা মিসক্যারিজ- যাই বলুন না কেন, মায়ের জন্য এই সময়টি অসম্ভব বেদনাদায়ক এবং কষ্টের। সঠিক তথ্যের অভাব, মায়ের অসচেতনতাসহ বিভিন্ন কারণেই মিসক্যারিজ হয়ে যেতে পারে মায়ের। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতেই বেশ কিছু মূল বিষয় আজ জেনে নিনঃ
মিসক্যারিজ কি?
যখন একজন গর্ভবতী মায়ের গর্ভস্থ ভ্রুণের বয়স ২০ সপ্তাহহবার আগেই আপনাআপনি নষ্ট হয়ে যায় তখন একে মিসক্যারিজ বলা হয়। ভ্রুণ পরিপূর্ণ হবার আগেই এই অবস্থা হতে পারে।
কি কি কারণে মিসক্যারিজ হতে পারে?
মিসক্যারিজ জানা-অজানা বিভিন্ন কারণেই হতে পারে। এর মধ্যে সবচী প্রচলিত কারণগুলো হলোঃ
- মায়ের জরায়ুতে ইনফেকশন থাকা,
- থাইরয়েড কিংবা ডায়বেটিস এর সমস্যা থাকা,
- হরমোনের তারতম্য কিংবা অসামঞ্জস্যতা,
- মায়ের বয়স ৩৫ এর বেশি হলে মিসক্যারিজের সম্ভাবনা বেশি থাকে,
- তিন বা তাঁর বেশি সন্তান পূর্বেই মিসক্যারিজ হয়ে থাকলে মিসক্যারিজের সম্ভাবনা বেড়ে যায়,
- হঠাৎ মায়ের ডায়বেটিস, রক্তচাপ কিংবা থাইরয়েডের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেলে।
এছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অত্যধিক ভ্রমন- এসব কারণেও মিসক্যারিজ হয়ে যেতে পারে।
মিসক্যারিজ ঠেকানোর উপায়ঃ
মিসক্যারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে। তবে কিছু বিষয়ে সচেতন হলে মিসক্যারিজ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমে যায়। এমন কিছু বিষয়ের উপরই আজকের আলোকপাতঃ
১। গর্ভধারণ পরিকল্পনা করার সময় নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত রাখুন।
২। চিকিৎসকের সাথে কথা বলে প্রথম থেকেই ডায়েটের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে যাতে করে খাবার কোনরূপ সমস্যা না হয়ে দাঁড়ায়।
৩। স্বাস্থ্যকর প্রেগনেন্সির জন্য প্রথম থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন, ফ্যাটি এসিড, ফলিক এসিড খাওয়া শুরু করতে পারে।
৪। প্রথম কয়েক সপ্তাহ খুব সাবধানে চলাফেরা করা এবং সম্ভব হলে বেডরেস্টে থাকা।


