Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Apr 12, 2015 in ছোট্টমনি |

শিশুকে অতিরিক্ত আদর! সমস্যা ও সমাধানের উপায়

শিশুকে অতিরিক্ত আদর! সমস্যা ও সমাধানের উপায়

বাবা মায়ের জন্য শিশুর ভালোবাসা কোন রকম তুলনা বা উদাহরণের বাইরে। একজন মা’ই জানেন তাঁর কাছে তাঁর সন্তান কি! তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি শিশু জন্মের পর দারুন আদর ভালোবাসা নিয়েই পৃথবীতে বেড়ে উঠে। কিন্তু সময় যাপনের সাথে সাথে শিশুকে অনেক কিছু শেখানোর থাকে, বোঝানোর থাকে। অতিরিক্ত আদরের ফলে শিশুর এই শেখার বা বোঝার সময়টা রূপ নিতে পারে অন্যায় আবদার ও শিশুর খারাপ অভ্যাস গঠনের সময়ে। শিশুকে কোন রকম শাসন করা, নৈতিক শিক্ষা ছাড়া বড় করার কুফল সময়ই তার বাবা-মাকে বুঝিয়ে দিতে পারে। কি করে শিশুর এই বিগড়ে যাওয়া মনোভাব থেকে রক্ষা করতে পারেন আপনার সন্তানকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

১।  শিশুর জন্য সহজ ও স্পষ্ট কিছু নিয়মকানুন ঠিক করে দিন একটু জ্ঞান হবার সাথে সাথেই। যাতে শিশু বুঝতে পারে এই কিছু নিয়মের মধ্য দিয়েই তাঁকে জীবন চালাতে হবে। তবে লক্ষ্য রাখবেন এসব নিয়ম শিশুর জন্য খুব বেশি কঠিন না হয়ে দাঁড়ায়।

২। শিশুকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিন যে সে যা চাইছে সব হয়তো আপনার পক্ষে দেওয়া সম্ভব হবেনা। কোন রকম শক্ত ভাষায় নয়, আপনার ভালোবাসাই আপনার সন্তানকে এটা বুঝিয়ে দিতে সক্ষম। খুব বড় কিছু না হলে এ নিয়মের ব্যতিক্রম হবেনা তা শিশুকে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিন।

৩। শিশুর অন্যায় আবদার মেনে না নেওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হোন। শিশু যাতে অন্যায়ের ব্যাপারে কোনভাবে প্রশ্রয় না পায় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৪। সবসময় বাঁধা-ধরা নিয়ম দিয়ে আবার শিশুর জীবনটাকে রস-কষহীন করে তুলবেন না যেনো। মাঝে মাঝে পরিবারের সদস্যারা মিলে গল্প করুন, বাইরে বেড়িয়ে আসুন

৫। শিশু কোন বাজে ব্যাপারে যদি মন খারাপ করে তবে সঙ্গে সঙ্গে অনায়টিকে প্রশ্রয় দেবেন না। তাকে বুঝিয়ে বলুন সবকিছু। সন্তানকে বুঝতে দিন হতাশা কি করে কাটিয়ে উঠতে হয়।

৬। শিশুকে একেবারে সবকিছুতেই বাঁধা দেওয়া কিন্তু চলবেনা। কোনটা সন্তানের জন্য ভাল, কোনটা খারাপ তা যাচাই করার দায়িত্ব বাবা-মায়ের। তাই এসব বিবেচনা করে শিশুকে নিজের মতো চলতে দিন, ভাবতে দন এবং ভালোভাবে বড় হতে দিন।