শিশুকে হাসিখুশি রাখতে বাবা-মায়ের করনীয়
বাবা মায়ের কাছে তাঁদের সন্তানের হাসিমুখ আর শারীরিক সুস্থতাই অনেক বড় পাওয়া। শিশুকে ভাল রাখতে, হাসিখুশি রাখতে বাবা মা অনেক কিছুই করে থাকেন। শিশু হাসিখুশি থাকলে তার শারীরিক মানসিক বিকাশ অনেকাংশেই বেড়ে যায়। তাই শিশুকে হাসি-খুশি রাখার বেশ কিছু পন্থা আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি আজঃ
১। প্রতিটি ছুটির দিনকেই করে তুলুন মজার ও আনন্দময়। একেকটি ছুটির দিন একেকভাবে উপভোগ করে নিজেকেও করে তুলতে পারেন আরেকটু রিচার্জড। যেকোন ছুটির দিনকেই তাই সন্তানের সাথে ভালোভাবে কাটাতে কাজে লাগান।
২। শিশু খাওয়ার সময় খুব বিরক্ত করে- এই অভিযোগ নেই এমন কোন মা-বাবা হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবেনা। কিন্তু গল্পচ্ছলে এই সময়টিকেই করে তুলতে পারেন সবচেয়ে আনন্দময়। খাবার খাওয়ানো নিয়ে বিভিন্ন গল্প বানান আর হাসিখুশি চিত্তেই শিশুকে খাইয়ে দিন।
৩। বিভিন্ন রকমের ব্রেইন গেম খেলতে চেষ্টা করুন। কাটাকুটি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আইকিউ’র মাধ্যমে শিশুর দক্ষতা যাচাইয়ের পাশাপাশি শিশুর মনোরঞ্জন করাও সম্ভব।
৪। পরিবারের সবার সাথে শিশুকে সময় কাটাতে দিন। একা থাকলেও অন্তত সপ্তাহে একদিন শিশুকে নিয়ে পরিবারের সবার সাথে দেখা করুন।
৫। শিশুকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন মাঝেমধ্যেই। এক পরিবেশে কিংবা চার দেওয়ালের মাঝে শিশুরা খুব দ্রুতই বিরক্ত হয়ে পরতে পারে।
৬। বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে মেতে উঠুন শিশুকে নিয়ে। ছবি আঁকা, কাগজ দিয়ে খেলনা বানানো এমন অনেক কিছুই করতে পারেন আপনার পছন্দ অনুযায়ী।
৭। এখনকার বেশিরভাগ শিশুরাই ভীনদেশী কার্টুন, খেলনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আপনার সময় সুযোগ থাকলে এসবের বাইরের জীবনটা থেকে শিশুকে একটু ঘুরিয়ে আনুন। পাবলিক লাইব্রেরী, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, শিল্পকলা বা শিশু একাডেমি’র মতো জায়গাগুলোতে যেতে পারেন আপনার সন্তানকে নিয়ে।
সবশেষে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আর যাই করুন, শিশুকে আনন্দ দেওয়ার জন্য কোনভাবেই যাতে শিশুর হাতে কোন রকমের প্রাপ্তবয়স্ক বস্তু, টাকা কিংবা বিপদজনক কিছু কখনোই যাতে না দেয়া হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।


