বাড়িতে সদ্যজাত শিশুর প্রথম ২৪ ঘণ্টা
সদ্যজাত শিশু বাড়িতে থাকাকালীন তার সাথে সাথেই পরিবারের সকল সদস্যদের পুরো দিন কাটে। কি করে কি করবেন, কি করবেন না বা কোনটি শিশুর জন্য স্বাভাবিক, কোনটি ভালো লক্ষণ নয় সেটি বুঝে উঠতে পারেন না অনেকেই। শিশুর খাওয়া-দাওয়া, ঘুমসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আজ আলোচনা করা হলোঃ
নবজাতকের খাবার-দাবারঃ
নবজাতক শিশুদের পাকস্থলী যেহেতু স্বভাবতই ছোট থাকে তাই তার খাবারের চাহিদাও থাকে অনেক কম। শিশুরা অল্প বিরতি দিয়ে দিয়ে অল্প পরিমাণ খাবার গ্রহণ করে থাকে। প্রায় প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর তিন আউন্সের মতো খাবারই শিশুর জন্য যথেষ্ট।
নবজাতকে ঢেকুর, হাঁচিঃ
অনেক নবজাতক শিশুরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঢেকুর বা হেঁচকি দিতে পারে। এতে শিশুর শরীরে কোন অস্বস্তি থাকলে তা দূর হয়। এছাড়া খাবার খাওয়ানোর মাঝেই শিশুকে ঢেকুর তুলতে সাহায্য করতে হয় যাতে শিশুর শরীরে অতিরিক্ত বায়ু না থাকে। শিশুকে খাওয়ানোর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর আপনি এ ব্যপারে শিশুকে সাহায্য করতে পারেন। এতে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। এটি শিশুর জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে যদি হেঁচকির পরিমান খুব বেশি হয়ে থাকে এবং শিশু দুর্বল হয়ে যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নবজাতকের কান্নাঃ
প্রথম বেশ কিছুদিন শিশু বেশিরভাগ সময় শান্ত থাকে ও ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে। তাই কান্নার পরিমাণও তুলনামূলক ভাবে বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে মা অবশ্য বুঝতে শেখে যে কি কারণে শিশু কাঁদছে।
নবজাতকের ঘুমঃ
নবজাতকের ছোট্ট শরীরটা জন্মের পর বেশিরভাগ সময়েই ঘুমের আচ্ছন্ন থাকে। খাওয়ার সময় ছাড়া বেশিরভাগ সময় শিশু ঘুমিয়েই কাটায়। মজার ব্যপার হলো নবজাতকেরা বেশিরভাগ সময়ই খুব সহজেই খুমিয়ে যেতে পারে। শিশু যেখানেই ঘুমাক খেয়াল রাখা দরকার যাতে শিশু মেরুদণ্ডের দিকে কোন রকমের ব্যথা না পায় আর শিশু যাতে আরামদায়ক ভাবে থাকে। অবাক হবেন না যদি শিশু ঘুমের সময় কোনরকম শব্দ করে। এটি সাধারণত শিশুর ঠাণ্ডা লাগার ফলে হয়। এছাড়া সর্দির কারণেও এমন হতে পারে। এক্ষেত্রে নরম তুলা বা কাপড় দিয়ে শিশুর সর্দি আলতো করে পরিষ্কার করে দিন। এতে শিশুর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া অনেকটাই সহজ হবে।


