Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jul 24, 2014 in গর্ভবতী মা |

মর্নিং সিকনেস, বমি বমি ভাবঃ কেন হয়? কাদের বেশি হয়?

মর্নিং সিকনেস, বমি বমি ভাবঃ কেন হয়? কাদের বেশি হয়?

গর্ভবতী মায়েদের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যার কথা বলতে শোনা যায় এবং যে সমস্যাটির বেশিরভাগ গর্ভবতী মায়েদের সম্মুখীন হতে হয় তার নাম সকাল বেলা বমি করা কিংবা বমি বমি ভাব। এই সমস্যার কারনে মায়েরা ভালোভাবে খেতে পারেন না আর কিছু খেলেও বমি হয়ে যায়। সাধারনত গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। পরে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়। চলুন জেনে আসা যাক এই সমস্যার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে।

কেন হয় মর্নিং সিকনেস?

  • হিউম্যান কোরিওনিক গনাডোট্রোফিন (Human Chorionic Gonadotropin -hCG)  নামক হরমোনটি গর্ভকালীন সময়ে শরীরে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই হরমোন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বমি বমি ভাবের ব্যাপারটি হয়ে থাকে। আবার মা যদি গর্ভে জমজ সন্তান ধারণ করেন তবে এর মাত্রা আরও বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
  • এস্ট্রোজন নামক হরমোন বৃদ্ধিও বমি বমি ভাব বা মর্নিং সিকনেস হয়ে থাকে।
  • গর্ভকালীন সময়ে নারীদের গন্ধ শোঁকা বা প্রবল ঘ্রানশক্তির ব্যাপারটি দেখা যায় এস্ট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে। তখন গর্ভবতী নারীরা যেকোনো খাবারে অন্যরকম ঘ্রাণ পায় বলে খেতে সমস্যা হয়, বমি পায়।
  • অনেক মায়েদের এমনিতেও খাবারের ব্যাপারে বাছ থাকে, অনেকে কিছুই খেতে পারেন না। আর সেই সমস্যা গর্ভকালীন সময়ে আরও বেশি প্রকটাকার ধারণ করে থাকে। এর ফলেই দেখা দেয় মর্নিং সিকনেস।
  • কিছু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন মানসিক চাপের প্রভাবে এ সময় বমি করার প্রবণতা বেড়ে যায়।

কাদের ক্ষেত্রে বেশি হয় এই সমস্যা?

  • যদি গর্ভবতী মা দুই বা ততোধিক সন্তান গর্ভে ধারণ করে থাকেন তখন এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে এটি কোন নিশ্চিত ব্যাপার নয়।
  • যদি মা দ্বিতীয় বারের মতো গর্ভবতী হয়ে থাকেন এবং প্রথমবারের গর্ভাবস্থায় এই সমস্যা হয় তবে মায়ের এই সমস্যা দ্বিতীয়বার আরও বেশি পরিমাণে হতে পারে।
  • জন্ম-নিয়ন্ত্রণকারী পিল খাওয়ার জন্য যদি আগে থেকেই এই সমস্যা হতে থাকে গর্ভকালীন সময়ে এটি আরও বাড়তে পারে।
  • বংশগত সমস্যার কারণেও এই বমি বমি ভাব দেখা যায়। যদি আপনার মা কিংবা বোনের এই সমস্যা থাকে তবে আপনিও এই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
  • মাইগ্রেন এর ব্যথা মর্নিং সিকনেস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারন।
  • আরেকটি সমস্যা হলো, যদি মা মেয়ে শিশুদের গর্ভে ধারণ করে তবে এতে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। মেয়ে শিশুদের গর্ভধারনকারী মায়ের মাঝেই এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।