Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Oct 8, 2015 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল |

শিশুর স্বাস্থকর খাদ্যাভাস গঠনের সাতটি উপায়

শিশুর স্বাস্থকর খাদ্যাভাস গঠনের সাতটি উপায়

ফাস্টফুড আর সফট ড্রিঙ্কসের এই সময়ে শিশুরা বাইরের সব খাবার আর অতিরিক্ত স্নেহ, শর্করা ও প্রোটিন জাতীয় আসক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সময় যত গড়ায়, শিশুর এই অভ্যাস পরিত্যাগ করানো কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে দাঁড়ায় বাবা-মায়ের জন্য। কিন্তু এভাবে কতদিন? এইসব খাবারের ফলেই তো শিশুরা স্থুলতা সহ আরো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। তাই বাবা- মাকে এ ব্যপারে ভাবতে হবে প্রথম থেকেই। খুব ছোটবেলা থেকেই গড়ে তুলতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাদ গঠনের অভ্যাস। চলুন জেনে নেই এমন সাতটি উপায় যার মাধ্যমে শিশুকে ছোটবেলা থেকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যপারে উৎসাহিত করতে পারবেন।
• প্রথমে নিজেকে তৈরি করাঃ শিশুর ভালও খাদ্যাভাস গঠনের পূর্বে নিজের অবস্থানকে চিন্তা করুন। আপনার সন্তানকে এমন কিছু করতে বাধ্য করছেন না তো যা আপনি নিজে মেনে চলছেন না? নিজের খাদ্যাভাসে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনুন যেন আপনার সন্তান আপনার কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা পেতে পারে।
• সন্তানকে নিয়ে ঘুরে আসুন বাজার কিংবা খামারঃ শিশুকে সাথে নিয়ে বাজারের বিভিন্ন সবজির ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্যের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিন, সম্ভব হলে কোন খামারে নিয়ে যান আর তাকে এসব খাওয়ার ব্যপারে উৎসাহিত করে তুলুন।
• খাবারে রাখুন ভিন্নতাঃ সবাই ভিন্নতা পছন্দ করে। শিশুরাও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই খেয়া রাখুন আপনার সন্তানের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যাতে একঘেয়েমি না চলে আসে। এতে শিশুর খাবার অনীহা চলে আসবে।
• কোন তাড়াহুড়া নয়ঃ কখনো আপনার সন্তানের সাথে কোন ব্যপারে তাড়াহুড়া বা জোড় করে খাওয়াতে চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাটাই বেশি। ধীরে ধীরে তার অভ্যাস বদল করতে চেষ্টা করুন। আশা হারাবেন না।
• পানি পান করার বেশি করেঃ অনেক শিশুই ঠিকমত পানি পান করতে চায়না। তাই শিশু যাতে প্রতিদিন সঠিক পরিমান পানি পান করে সে ব্যপারে লক্ষ্য রাখুন।
• শিশুকে বুঝুনঃ আপনার সন্তানের খাবারের চাহিদা বা স্বাদের চাহিদা পরিবর্তন হতে থাকে প্রতিনিয়ত। এব্যপারে সচেতন থাকুন। আপনার সন্তানের স্বাদ ও ক্ষিদের চাহিদা বুঝে তাকে খেতে দিন। তাকে কখনোই জোর করে পুরো খাবার খেতে বলবেন না
• খাবারের সময়কে আনন্দময় করে তুলুনঃ আপনার সন্তানকে খাওয়ানোর সময় তার চারপাশের পরিবেশকে পরিবারের সবাই মিলে আনন্দময় করে তুলুন। সে যদি খাবারের সময়টা উপভোগ করতে শেখে তখন সে খাবারের প্রতি উৎসাহিত হবে।