নবজাতক শিশুর প্রথম ঠান্ডা সমস্যা নিয়ে কিছু কথা
নবজাতক শিশু পৃথিবীতে আসার পর প্রথম প্রথম স্বাভাবিকভাবেই বেশ কিছু সমস্যা দেখা যায়। মায়ের গর্ভের তাপমাত্রা, পরিবেশ ও বাইরের তাপমাত্রা,পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে শিশুর খাপ খাইয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। বাবা-মা’কেও এই সময় শিশুর যত্ন নিতে হয় বেশ সাবধানে। শিশুর ঠান্ডার সমস্যা এই সময়ের প্রধান একটি সমস্যা যা বেশ সতর্কতা ও যত্নের সাথে বাবা-মা’কে সামলাতে হবে। কারণ একটু অসাবধান হএই এই ঠান্ডা থেকে শিশুর নিউমোনিয়া বেঁধে যেতে পারে যা ভয়াবহ সমস্যা বয়ে আনতে পারে। আজ তাই শিশুর এই ঠান্ডার সমস্যা নিয়েই থাকছা দু’চার কথা।
কখন শিশুর ঠান্ডায় ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন?
যেসব উপসর্গ আপনার সন্তানের ঠান্ডা লাগলে বুঝিয়ে দেবে যে তাকে ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন সেগুলো হলোঃ
১। শিশুর বয়স তিন মাসের নীচে হলে,
২। ঠান্ডায় শিশুর কানে ইনফেকশন হয়ে গেলে,
৩। ঠান্ডার সাথে সাথে বমি, ডায়রিয়া দেখা দিলে,
৪। দিনের পর দিন ঠান্ডা-কাশির অবস্থা খারাপ হতে থাকলে।
এই সমস্যায় শিশুকে কিভাবে আরাম প্রদান সম্ভব?
শিশুর ঠান্ডা লাগলে তাকে ভালোভাবে আরাম প্রদান করা যাতে তাঁর কোন কষ্ট না হয়- এই কাজটি সব বাবা-মা করতে চাইলেও এটি বেশ দুরুহ কাজ। যেহেতু শিশু এসময় বেশ অস্বস্তিতে ভুগে থাকে তাই তাকে আরাম প্রদানের জন্য হাওকা গরম পানিতে গোস্ল করাতে পারেন কিংবা স্টীম বাথ নেওয়াতে পারেন। এতে শিশু কিছুটা আরাম পাবে। এছাড়া সবসময় শিশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখলেও শিশু কিছুটা স্বস্তি পাবে।
এই সময় শিশুর খাওয়া-দাওয়াঃ
এই সময় শিশু অস্বস্তিতে ভুগে থাকে তাই খাওয়া-দাওয়া নিয়ে বাবা-মা’কে এ সময় বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। এসময় শিশুকে ধৈর্য সহকারে ধীরে ধীরে খাওয়াতে হবে। মায়ের দুধ খাওয়ানো কনভাবেই বন্ধও রাখা যাবেনা। কিছুক্ষন পরপর মায়ের দুধ খাইয়ে শিশুকে হাইড্রেটেড রাখতে হবে।


