শিশুর মস্তিষ্ক ঝাঁকুনি জনিত চোট- কি এবং কেন?
শিশুরা সবার কাছেই অনেক আদরের। স্বাভাবিকভাবেই এই আদরের বহিঃপ্রকাশ একেক জনের কাছে একেক রকম। শিশুকে শূন্যে তুলে আবার কোলে নিতে অনেকেই পছন্দ করেন। শিশুরাও এটি বেশ ভালোভাবেই উপভোগ করে থাকে। কিন্তু এই আনন্দের ব্যাপারটির পেছনে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে ভয়াবহ কোন সমস্যা। হ্যাঁ! মস্তিষ্কের ঝাঁকুনি জনি চোট গুলোর কথাই এখানে বলা হচ্ছে। অনেক পরিবারের সদস্যরাই শিশুদের ভালোভাবে হ্যান্ডলিং এর ব্যাপারটি সম্পর্কে অবগত নন, অনেকে আবার ব্যাপারটিকে গুরুত্বের সাথেই দেখেন না। আর এরই ফলস্বরূপ শিশুর তুলতুলে শরীর, মাংসপেশী, অস্থিসন্ধি ক্ষতিগ্রস্থ হয় যা স্থায়ী পঙ্গুত্ব এমনকি শিশু মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
শ্যাকেন বেবি সিনড্রোম-
এই ঝাঁকুনি জনিত চোটকে শ্যাকেনবেবি সিনড্রোম বলা হয়। এটি হলো মাথায় চোট লাগার একটি বিশেষায়িত সমস্যা। যদি মাথায় সরাসরি ব্লো-আঘাত পেয়ে থাকে, কিংবা হঠাৎ চোট পায়বা ঝাঁকুনি পায় তবে শিশুর কোমল মস্তিষ্ক বড় রকমের সমস্যায় পড়তে পারে যা শ্যাকেন বেবি সিনড্রোম নামে পরিচিত। এই নিয়ে কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো আপনাদের জন্য।
- কোন কোন সময় শিশুকে দোল খাওয়ানোর ফলে শিশু মজা পেয়ে হেসে উঠে। আবার অনেকে জোরে চিৎকার করতে থাকে। এরপর তা বন্ধও করে দিলে শিশু অনেকসময় কান্নাকাটি করে থাকে। কাঁদতে কাঁদতে হঠাৎ যদি দেখেন যে শিশু অসাড় হয়ে পড়েছে বা আর কাঁদতে পারছেনা তবে বুঝতে হবে শিশুর মস্তিষ্কের জখম হয়েছে।
- সাধারনত এমন সব ক্ষেত্রে শুধুমাত্র শারীরিক পরীক্ষা শিশুর মূল সমস্যা ধরতে পারেনা। ব্রেইন সিটি স্ক্যান করে দেখতে হবে যে শিশুর মস্তিষ্কের কোন বিকৃতি বা অস্বাভাবিকত্ব রয়েছে কি না।
তাই মারাত্নক এই খেলা শিশুর সাথে না খেলে তাকে যতটা স্বাভাবিক জীবন উপহার দেওয়া যায় সেদিকে বাবা-মায়ের অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।


