শিশুর জন্মের পর ব্যায়াম নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর
মায়ের শরীরে গর্ভকালীন সময়্ যে অতিরিক্ত ওজন থাকে তা শিশুর জন্মের পরেও অনেক অংশে থেকে যায়। আর সঠিক কাজ-কর্ম আর ব্যায়ামই মা’কে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে পারে। আবার ব্যায়াম করা ঠিক হবে কি হবে না এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগে থাকেন অনেক মা। তাই এ বিষয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর রয়েছে আজঃ
১। শিশুর জন্মের কতদিন পর ব্যায়াম শুরু করা উচিৎ?
- বেশিরভাগ চিকিৎসকেরাই মা যতদিন না পর্যন্ত নিজেকে সুস্থ, স্বাভাবিক পরিশ্রম করার যোগ্য মনে না করেন ততদিন ব্যায়াম শুরু করা উচিৎ নয়। ডেলিভারি হওয়ার ছয় সপ্তাহ অপেক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম শুরু করা উচিৎ।
২। ব্যায়ামের সাথে সাথে এবডোমিনাল মাসেল এর যত্ন কি করে নেওয়া সম্ভব?
- এবডোমিনাল মাসেল এর আলাদা ব্যায়াম করে ব্যায়ামের সময় এই বিষয়ক ইনজুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এছাড়া হাঁটা এবং হালকা ব্যায়ামের বাইরে অতিরিক্ত কিছু করতে চাইলে চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন যে এই ব্যায়ামে এবডোমিনাল মাসেল এর কোন সমস্যা হবে কি না।
৩। ব্যায়াম কি বুকের দুধের উপর কোন প্রভাব ফেলবে?
- নাহ! এটি শিশুর জন্য বুকের দুধ তৈরিতে কোন প্রভাব ফেলে না। তবে শিশুর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বুকের দুধ প্রস্তুত করতে মা’কে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। এছাড়া ব্যায়ামের পুর্বে শিশুকে বুকের দুধ খাইয়ে নিন যাতে করে আপনি হালকা অনুভব করতে পারেন।
৪। কি করে বোঝা যাবে ব্যায়াম শরীরের উপর কোন প্রভাব ফেলছে না?
- যদি নিজে শারীরিকভাবে সুস্থ বোধ করেন তো ব্যায়ামে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এই ব্যায়ামের ফলে যদি হঠাৎ মায়ের রক্তপাত শুরু হয় তবে অতিসত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


