Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Jul 15, 2014 in ছোট্টমনি, জেনে রাখা ভাল |

নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নেওয়া শিশুদের অবস্থা ও করণীয় যা

নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নেওয়া শিশুদের অবস্থা ও করণীয় যা

বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা, মা কিংবা শিশুর কোন ধরণের সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণেই শিশু নির্ধারিত সময়ের আগেই পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখতে পারে। কিন্তু যেহেতু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই পৃথিবীতে আসে তাই তাদের যত্ন-আত্তি, তাদের দেখাশোনা সবকিছুই একটু অন্যরকম হয়। সাধারনত এদের প্রি-ম্যাচিউর বেবি বলা হয়ে থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রি-ম্যাচিউর বেবির বিভিন্ন রকমের অবস্থাঃ

শিশুর জন্ম যখন ২৮ তম সপ্তাহেরও আগেঃ

শিশুর জন্মের সময় তার বয়স ২৮ সপ্তাহের কম হওয়াটা খুব দুর্লভই বলা চলে। এই ধরণের শিশুরা সাধারনত খুব কম ওজন (দুই পাউন্ডের কম) নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য এদের আলাদা অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। খুব অপ্রাপ্ত বয়সে জন্মায় বলে তাদের খুব যত্নে রাখতে হয় এবং সবসময় চোখে চোখে রাখতে হয়। এমনকি এই সময় শিশুরা চোখ খোলাও শেখে না এবং চোখের পাতাও তৈরি হয় না। কান্না করতেও এই সময়ের শিশুরা শেখে না। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটেই এ ধরণের শিশুদের রাখা হয় যতদিন না তারা ঠিক হয়ে উঠে। খাওয়ানোর ব্যপারে সাহায্য নিতে হয় টিউবের। তবে দুঃখের বিষয় হলো এসব শিশুরা অনেক সময়ই কিছুটা শারীরিক বা মানসিক অপ্রাপ্তি নিয়ে বেড়ে উঠে।

শিশুর জন্ম যখন ২৮ থেকে ৩১ তম সপ্তাহের মধ্যেঃ

আগের চেয়ে কিছুটা বেশি ওজন নিয়ে এই সময়ের মধ্যের শিশুরা জন্মগ্রহণ করে তবে সমস্যাগুলো সাধারণত একই রকম থাকে। এদেরও আলাদা অক্সিজেন প্রয়োজন হয় এবং বেশিরভাগ শিশুরই মায়ের দুধ টেনে খাওয়ার শক্তি থাকে না বলে টিউবের মাধ্যমে খাওয়াতে হয়। কিছু কিছু শিশু এই সময় কান্না করতে শেখে। জন্মের পর অনেক সময় নিয়ে এই শিশুরা নড়া চড়া ও অন্যান্য কাজ শিখে থাকে।

শিশুর জন্ম যখন ৩২ থেকে ৩৬ তম সপ্তাহের মধ্যেঃ

এই সময়ের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা বেশিরভাগ সময়েই স্বাভাবিক শিশুদের মতই থাকে যদিও তাদের ওজন অনেকটাই কম থাকে। খাওয়ানো ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা এদের মাঝেও দেখা যায় তবে কিছুটা কম পরিমাণে। এবং এসব শিশুরা খুব দ্রুতই স্বাভাবিক হতে পারে। তারা খুব দ্রুতই নিজে খেতে পারে এবং ওজনও বেশ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তবে তাদেরও আলাদা বিশেষ যত্নের প্রয়োজন এবং উপযুক্ত যত্নের ফলে এসব শিশুরা ভালোভাবেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।